in ,

অনেক সূচকে ভারতকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

মোঃ আব্দুল মান্নান: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড শামসুল আলম বলেছেন, ‘মাথাপিছু আয়সহ সামাজিক অনেক সূচকে বাংলাদেশ ভারতকে পেছনে ফেলেছে। মাতৃ মৃত্যুহার, শিক্ষার হার ও প্রত্যাশিত গড় আয়ুতে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। এসব ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় এখন এক নম্বরে বাংলাদেশ।’

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সৌজন্যে জুমবাংলার বিশেষ ফেসবুক লাইভে তিনি এসব কথা বলেন।

গত সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সম্প্রচারিত জুমবাংলার ফেসবুক লাইভের এটি ছিল ১৩০তম পর্ব। আলোচনার বিষয় ছিল ‘নয়া জাতীয় পরিকল্পনা ও আমাদের অর্জন’।

আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর (ইউএনডিপি) মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন দপ্তরের সাবেক পরিচালক ড সেলিম জাহান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক, সাংবাদিক সাজেদ ফাতেমী।

প্রতিমন্ত্রী ড শামসুল আলম বলেন, মাথাপিছু আয়, মূল্যস্ফীতি, রেমিটেন্স ও কৃষি উৎপাদন বাড়ছে কিনা, সেসব ফলাফলের হার বিবেচনায় নিয়ে বলতে পারি আমরা সঠিকভাবে এগিয়ে  যাচ্ছি। এসবের মধ্য দিয়ে আমাদের পরিবর্তনের পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যাবে। সকালে রোদ, বিকেলে বৃষ্টি দেখেই যদি বলি বৃষ্টিময় দিন বা ঘোলাটে দিন, তাহলে মনে হয় ভুল হবে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের বিচারে বলতে পারি, জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে গত এক যুগে বাংলাদেশে অনেক এগিয়েছে। সুতরাং আমি বলতে পারি বাংলাদেশের জন্য এখন একটি সোনালী যুগ।

সর্বশেষ পাঁচশালা পরিকল্পনাকে কেন নয়া জাতীয় পরিকল্পনা বলা হচ্ছে? সঞ্চালক সাজেদ ফাতেমীর এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এর উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যন্ত আমাদের গৃহীত পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাগুলো ছিল বিনিয়োগ পরিকল্পনা। অন্যদিকে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলো এমডিজি ও এসডিজি অর্জনের কর্মপত্র হিসেবেও তৈরি করা হয়েছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বাজেটে বর্ণিত খাত বিন্যাস অনুসারে প্রথমবারের মতো খাত বিন্যাস করা হয়। ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা দুটোর মধ্যবর্তী মূল্যায়ন যথাসময়ে সম্পন্ন হয় এবং প্রাপ্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫) একই ধারাবাহিকতায় কৌশলগত পরিকল্পনা হিসেবেই প্রণীত হয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হচ্ছে বাংলাদেশের ‘দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-৪১: রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবে রূপায়ণ’-এর প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা। এ কারণেই এটাকে বলা হচ্ছে নয়া জাতীয় পরিকল্পনা।’

পরিকল্পনার ধীরগতি বাস্তবায়ন কি আমাদের উন্নতির প্রধান অন্তরায় নয়? যারা বিভিন্ন প্রকল্পের দায়িত্ব নিয়েও সঠিক সময়ে কাজ করেনা, তাদের ব্যাপারে আসলে আমাদের সিদ্ধান্ত কি? শুধু কি দৃশ্যমান উন্নয়নই আমাদের একমাত্র উন্নয়ন? এই প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা মানুষের দৈনন্দিন ঘটনাবলী থেকে দৈনন্দিন কাজের প্রতিক্রিয়া। আমাদের পরিকল্পনা দৈনন্দিন কার্যবিবরণীর কোনো বিষয় নয়। অর্থনীতি এমন একটি বিষয় আপনারা দেখে থাকবেন যে সকালে একটি পণ্যের দাম এক রকম থাকলে বিকেলে সেই দাম কম বা বেশি হয়। আমরা যদি এটা দিয়েই মন্তব্য করে ফেলি দরদাম অনিয়ন্ত্রিত হয়ে গেল তখন কিন্তু এটি সাধারণভাবে প্রযোজ্য হওয়ার কথা নয়। বিমানবন্দরে আরটিপিসিআর এখনও মেশিন বসানো হয়নি। এটা দিয়ে কিন্তু আসলে একটি বাজেটের বা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মূল্যায়ন হয় না। আমাদের দেখতে হবে বার্ষিক কর্মসম্পাদনভিত্তিক মূল্যায়ন। দৈনন্দিন কর্মকান্ডের ভিত্তিতে আমরা বলতে পারিনা পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। অর্থাৎ ফলাফল কি পেলাম তারপর মন্তব্য করা যেতে পারে। আমরা এক বছরে কতটুকু শিক্ষার হার, প্রত্যাশিত গড় আয়ু বা প্রবৃদ্ধি অর্জনে এগিয়ে গেলাম, রেল সংযোগ বা রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করতে পারলাম সেসব বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এক বছরে দুই একবার বিদ্যুৎ যেতেও পারে আবার নাও পারে। এটি দিয়ে আমরা বলতে পারিনা পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা দিয়ে আসলে সামগ্রিক বিষয় তুলনা করা মনে হয় না ঠিক হবে। আমাদের দেখতে হবে ফলাফল। ধরুন এক বছরে মোট বাজেটের প্রায় ৯২% অর্জিত হয়েছে বা কম হয়েছে। তখন একটা মন্তব্য করা যেতে পারে। দুই তিন দিন আমরা কি কি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি সেটি মনে হয় না কোনো সূচকের মধ্যে পড়ে । সূচক হচ্ছে সমষ্টিগত একটি বিষয়। সমষ্টিগত ভাবে আমাদের ফলাফলকে দেখতে হবে যে আমরা কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি। সেই অর্থে আমরা পরিকল্পনায় অনেক অর্জন করেছি।’

মন্ত্রী বলেন, একসময় স্কুল ড্রপআউট ৪৩ শতাংশ ছিল। এখন সেটি ১৮ শতাশে নেমে এসেছে। অর্থাৎ আমরা ৮২ শতাংশ ওভারকাম করতে পেরেছি। স্কুল এনরোলমেন্ট ১০০ ভাগ হয়েছে , যা একসময় ৮৩ ভাগ ছিল। এটাই আমাদের দেখতে হবে বা বিশ্লেষণ করতে হবে। অনেক সময় অনেকে বলেন, আপনাদের তথ্য ঠিক নাই বা ভুল আছে। এটা আপনারা বলতে পারেন । বিদেশিরা তো সরকারের কোনো অঙ্গ সংগঠন নয় বা প্রচার সংগঠন
নয়। তবে কৌশিক বস বা অমর্ত্য সেন যে কথাটা বলেন আমরা সেটি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে পারি। নিউইয়র্ক টাইমস কি বলে, দ্য ইকোনমিস্ট পত্রিকা  কি বলে ,আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমুহ কি বলে সেগুলো আমরা দেখতে পারি। ভারতীয় পত্রিকায় বলা হলো যে, বাংলাদেশ ভারতকে মাথাপিছু আয়ে পিছনে ফেলছে। আমি বলি শুধু মাথাপিছু আয় নয় সামাজিক অনেক সূচকে বাংলাদেশ ভারতকে পেছনে ফেলেছে।

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সৌজন্যে অনলাইন নিউজ পোর্টাল জুমবাংলার ফেসবুক লাইভে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড শামসুল আলম বলেন, ‘করোনা মহামারী থেকে আমাদের সকলের বাঁচার প্রচেষ্টা চলছে । অনেকেই দ্বিধান্বিত হয়েছি আমাদের হয়তো বড় একটা বিপর্যয়ের মোকাবেলা করতে হবে। অর্থনীতি ধ্বসে পড়বে । সেরকম একটা সময়ে প্রতিষ্ঠিত থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ইকোনমিক ফোরাম থেকে বলা হলো, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাদ দিয়ে দ্রুত কোভিড-১৯  মোকাবেলা কর্মসূচি গ্রহণ করা হোক। তারা এ কথা হয়তো বলেছে, কোভিডকে খুব বেশি প্রাধান্য দেয়ার জন্য।  আপনারা জেনে থাকবেন যে সরকার খুব দ্রুততম সময়ে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল। সেই সময় আমাদের চার শতাংশ জিডিপি ব্যয় করে প্রণোদনা  প্যাকেজ গুলো দেওয়া হয়। বিশেষ করে রপ্তানি শিল্প ও শ্রমিকদের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ রকম  বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল। সুতরাং কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকার পিছিয়ে থাকেনি, বরং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা স্থগিতের বিষয়ে তখনও আমি পত্রপত্রিকায় লিখেছি। কারণ আমাদের সংবিধানের প্রতি যদি আনুগত্য থাকে, তাহলে আমরা পরিকল্পনা স্থগিত রাখতে পারিনা।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ১৫ নং ধারার ‘গ’ উপধারায় পরিকল্পনার কথা (planned path of growth) সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে উল্লিখিত আছে, ‘রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে’ জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও মৌলিক চাহিদার (খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য) নিশ্চিতকরণ। এই পাঁচটি বিষয়ে সরকারকে নিশ্চয়তা দিতে হবে সুতরাং সরকারের প্লান্ট পথ অব গ্রোথ বন্ধ রাখা চলে না। যেহেতু আমাদের ভিশন / রূপকল্প পরিকল্পনা চলছে সুতরাং অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাদ দিলে সেখানে আমাদের একটি হোঁচট খেতে হয়। কারণ সেখানে পাঁচ বছরের অভীষ্ট লক্ষ্য, মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ ইত্যাদি উল্লেখ করা থাকে। এগুলো যদি আমরা প্রাক্কলন না করে স্থগিত করে শুধু কোভিড -১৯ নিয়ে পড়ে থাকি তাহলে আমাদের পিছিয়ে পড়তে হবে। কিন্তু সরকার জীবন ও জীবিকার দুটোকেই চমৎকারভাবে সমন্বয় করে এগিয়ে নিয়েছে। একদিকে মানুষের জীবন বাঁচানোর চেষ্টা অন্যদিকে অর্থনীতিকে উজ্জীবিত রাখার প্রচেষ্টা। তখন আমরা একটি শব্দ ইউজ করছিলাম যেটা অনেকেই শুনে থাকবেন সেটি হচ্ছে মানবিক লকডাউন। অর্থাৎ বাজার, কৃষি ব্যবস্থাপনাকে চালু রাখা, শ্রমিকদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরকারি ভাবে যাওয়ার ব্যবস্থা। এই যে একটা মানবিক ব্যবস্থাপনা সেটি সরকার করেছে যাতে করে অর্থনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি না হয় এবং দেশ না খাদ্য সংকটে পড়ে।’

মন্ত্রী বলেন, একজন বলেছিল করোনায় ৫ থেকে ৫০ লাখ মানুষ মারা যেতে পারে। আমরা সেই কথা বিবেচনায় নিয়ে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা স্থগিত করলে দেশ অনেক পিছিয়ে পড়তো। বর্তমানে যেমন করোনাভাইরাস অতিমারি এসেছে, অতীতে এ রকম অনেক মহামারী এসেছে। ভবিষ্যতেও এ রকম মহামারী আসবে। তাই বলে আমাদের থেমে থাকলে চলবে না। এ কারণেই আমরা প্রথম দুই বছর রিভাইস করেছি কিভাবে এই কোভিডের মধ্যেও পরিকল্পিতভাবে দেশকে পরিচালনা করা যায়। যদি শুধু কোভিড কোভিড করেই আমাদের পরিকল্পনা বাতিল করা হতো তাহলে আমাদের সেটি ভ্রান্তিকর পদক্ষেপ হতো বলে আমি মনে করি। যখন ১৩০ টি দেশ কোভিডের ভ্যাকসিন পায়নি, তখন আমাদের দেশে কোভিডের ভ্যাকসিন চলে এসেছে। যদিও মাঝখানে ভারত ভ্যাকসিন বন্ধ করে দেওয়ায় কিছুটা বিপর্যয় হয়েছিল। সরকার অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পরিকল্পিতভাবে এগিয়েছে বলেই আমরা আজ এই অবস্থানে আসতে পেরেছি।

ড শামসুল আলম বলেন, ‘আমরা যেসব সূচকে এগিয়েছি, সেগুলো শুধু একটি সরকারের সাফল্যের ধারাবাহিকতার ফসল নয়।’

তিনি বলেন, ‘আমি অতীতের পরিকল্পনার কথাও বলেছি। এটিকে একটি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বলা যায়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দিক থেকে ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৮৪ শতাংশ। ৯০-৯১ তে মাতৃমৃত্যুর হার ছিল ৪৩৫ এর মতো। বর্তমানে সেটি ১৫৩ তে নেমে এসেছে। এটি কি গর্বের বিষয় নয়?’

মন্ত্রী বলেন, ‘এমডিজির ২১ টি অভীষ্ট লক্ষ্যের মধ্যে আমরা ২০টি তে পূর্ণতা অর্জন করেছি। যেখানে আগে এমডিজির ১৮ টি লক্ষ্যমাত্রা ছিল। বর্তমানে তা ২১ টিতে দাঁড়িয়েছে।  এই যে এমডিজি অর্জনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ১১ টি পুরস্কার পেলেন, সেটি কি আমাদের জন্য গৌরবের নয়? এটি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ছিল। কিন্তু গত ১০ বছরে প্রবৃদ্ধির হার আড়াই গুণ বেড়ে যাওয়া আর ২৪ বছরে দ্বিগুণ হওয়া কি একই কথা হলো? এখন এমন একটি গ্রাম খুঁজে পাবেন না যেখানে বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি , রাস্তাঘাট পাকা হয়নি, কিংবা গ্রামের কোন মানুষ না খেয়ে মারা গেছে। এমন কোথাও কিন্তু আর খুঁজে পাবেন না।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রতিটি মানুষ চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছি। কারণ আমাদের যত অপরচুনিটি বেড়ে যায় তত চ্যালেঞ্জও আমাদের সামনে চলে আসে। আমার কাছে এটাই মনে হয়। আমরা এখনো কাঙ্খিত  দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলতে পারিনি। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আমাদের আরও এগুনো দরকার ছিল। কিন্তু আমরা পারিনি । তবে করোনার প্রথম দিকে আমাদের মাত্র তিনটি পিসিআর ল্যাব ছিল। এখন প্রায় ৮০০ পিসিআর ল্যাব কাজ করছে। আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জনশক্তি রপ্তানিতে কাজ করছি এবং কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব দেয়ার চেষ্টা করছি।’