স্পোর্টস ডেস্ক: আর কিছুদিন পর কাতারে বসতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের আসর। প্রথমবারের মতো এই আসর আয়োজন করছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। রক্ষণশীল দেশ হওয়ায় শুরু থেকেই আলোচনায় ছিল মদ্যপানের ইস্যুটি। সারা বিশ্ব থেকে ফুটবলপ্রেমীরা কাতারে যাবেন।

প্রশ্ন ছিল, সেখানে কি মদ্য পান করা যাবে? এবার বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা দিয়েছেন বিশ্বকাপের আয়োজকরা।
ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের মূল্যবোধের বিরোধের অন্যতম বস্তুটাই হলো মদ। তাই এটা নিয়ে ছিল নানা জল্পনা। কয়েক দিন আগে বিশ্বকাপের আয়োজক কমিটির প্রধান নির্বাহী নাসের আল খাতের বলেছিলেন, ‘ফ্যান জোন’ এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত হোটেলগুলোতে মদ পরিবেশনের ব্যবস্থা থাকবে। কিন্তু প্রকাশ্যে কেউ মদ্য পান করতে পারবেন না। এমনকি মাঠে অ্যালকোহল জাতীয় কিছু নিয়ে যেতে পারবেন না।
কাতার বিশ্বকাপ

Advertisement

কিন্তু চাপের মুখেই হয়তো মদ্যপানের ক্ষেত্রে আরো ছাড় দিতে বাধ্য হলো আয়োজক কমিটি। স্টেডিয়ামের ভেতরেও মদ্যপানের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন নাসের আল খাতের। তিনি বলেছেন, ‘স্টেডিয়ামের নির্দিষ্ট স্থানে মদের ব্যবস্থা থাকবে। আমরা অন্য যেকোনো বিশ্বকাপ আয়োজনের মতো করে এই বিশ্বকাপটি আয়োজনে কাজ করে যাচ্ছি। তাই এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। কাতারে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ অন্য বিশ্বকাপগুলোর চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়। ’

দর্শকরা যাতে উপভোগ করতে পারেন সে ব্যাপারেও আয়োজকদের পরিকল্পনা আছে বলে জানান খাতের, ‘অভিজ্ঞতার দিক থেকে আমরা সব ধরনের মানুষের কথাই ভাবছি। হতে পারে সেটা সংবাদকর্মী, সমর্থক এবং ম্যাচ পরিচালনাকারী। আমরা তাদের অভিজ্ঞতাকেও বিবেচনায় নিচ্ছি। আমাদের বিশ্বাস, এবারের বিশ্বকাপ তাদের সবাইকে অভিনব অভিজ্ঞতা দেবে। ব্যাপার হচ্ছে, একটি শহরে তারা সবাই একত্র হবে। আমরা চাই, তারা ফিরে গিয়ে অসাধারণ একটি বিশ্বকাপ হিসেবেই মনে রাখবে। ’

সূত্র : বিবিসি

ব্রাজিল দলে নতুন করে ডাক পেলেন যারা

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Sibbir Osman is a professional journalist currently serving as the Sub-Editor at Zoom Bangla News. Known for his strong editorial skills and insightful writing, he has established himself as a dedicated and articulate voice in the field of journalism.