
সম্প্রতি একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে পুলিশ সদর দফতরের। বিষয়টি অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সদরের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স শাখার পক্ষ থেকে কামরাঙ্গীরচর থানার ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং ওই বৃদ্ধাকে যথাসম্ভব সহযোগিতার জন্য ওসিকে অনুরোধ করা হয়।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (মিডিয়া এন্ড পিআর) সোহেল রানা বলেন, আমাদের মানবিক আহ্বানে সাড়া দিয়ে কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি এবিএম মশিউর রহমান ওই বৃদ্ধার আত্মীয়-স্বজনদের খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু নাম-ঠিকানা না থাকায় ওসি প্রথমে পাইকপাড়ায় বৃদ্ধাশ্রমটি খুঁজে বের করেন। সেখানকার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন সমাদ্দারের সঙ্গে কথা বলে বৃদ্ধার আত্মীয়ের নাম-ঠিকানা জানতে চান। কিন্তু না থাকায় তারা কোনো তথ্য দিতে পারেননি। পরে মিল্টন সমাদ্দারের সঙ্গে কথা বলে ওসি মশিউর হুমকি দেয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর সেই হুমকি দেয়া নম্বরের সূত্র ধরে তিনটি মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়। এরপর সেই সূত্রে নাগরিক ডাটাবেজের সাহায্যে বৃদ্ধার ছেলে আলাউদ্দিনের ঠিকানা সংগ্রহ করে তার সঙ্গে কথা বলা হয়। তাকে কাউন্সিলিং করা হলে তিনি তার মাকে বৃদ্ধাশ্রম থেকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হন। তখন ওসি মশিউরসহ আলাউদ্দিন ও তার পরিজনরা বৃদ্ধাশ্রমে যান। পরে কর্তৃপক্ষ বৃদ্ধাকে তার ছেলে, ছেলের বউ ও নাতনির কাছে হস্তান্তর করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



