অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর প্রধান মার্ক হ্যামন্ড দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো একজন নারী সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন।
আগামী জুলাইয়ে বর্তমান প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান ডেভিড জনস্টন-এর পদত্যাগের পর দায়িত্ব নেবেন হ্যামন্ড। দুই বছর দায়িত্ব পালন শেষে জনস্টন অবসর নিচ্ছেন।
বর্তমানে জয়েন্ট ক্যাপাবিলিটিজ প্রধান সুসান কয়েল নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। তিনি অবসরে যাওয়া সাইমন স্টুয়ার্ট-এর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী বা বিমানবাহিনীর কোনো শাখার প্রধান হচ্ছেন।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এই নিয়োগকে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের নারী সদস্যদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
১৯৮৭ সালে আর্মি রিজার্ভে যোগ দেওয়া কয়েল দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, হ্যামন্ডের ৪০ বছরের নৌবাহিনীর অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তিনি সাবমেরিন কমান্ডার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া AUKUS চুক্তির আওতায় পারমাণবিকচালিত সাবমেরিন সংগ্রহ পরিকল্পনায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
নৌবাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন সাবেক সাবমেরিন কমান্ডার ম্যাথিউ বাকলি। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব গ্রেগ মোরিয়ার্টি। তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, তা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


