
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও ব্লুমবার্গে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।
আহসান এইচ মনসুর ব্লুমবার্গকে বলেছেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তাই ঋণের প্রয়োজন এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে। স্থানীয় ব্যাংক থেকেও বকেয়া ঋণ মেটাতে কেনা হচ্ছে ডলার।
আইএমএফের কাছ থেকে গত বছর বাংলাদেশ চার দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার ঋণ পায়। এ অবস্থার মধ্যে বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে আবারো ঋণ চাচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের কাছে অতিরিক্ত দেড় বিলিয়ন ডলার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কাছে আরও এক বিলিয়ন ডলার করে চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের রিজার্ভ বর্তমান সংকটের আগেই চাপে ছিল। গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমাণ সাড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার ছিল। প্রায় তিন মাসের আমদানি খরচ এটা দিয়ে মেটানো যেতে পারে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



