
একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা হয়েছে। সেই সব প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, শোভন-রাব্বানী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে গিয়ে কমিশন চেয়েছিলেন। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তথ্য প্রমান রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলে, কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে শোভন-রাব্বানীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দিবেন বলেও জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এ কারণেই শোভন- রাব্বানীকে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। খুব শীঘ্রই তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সূত্র : বাংলা ইনসাইডার
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



