দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় পৌঁছাচ্ছেন। বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে তার এই আগমনকে কূটনৈতিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন দূতাবাসের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ঢাকায় পৌঁছেই ক্রিস্টেনসেন ব্যস্ত সময় পার করবেন। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করবেন। তার মূল লক্ষ্য হবে বাংলাদেশে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো। এছাড়া মানবাধিকার রক্ষা, রোহিঙ্গা সংকট সমাধান এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়েও তিনি কাজ করবেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মার্কিন ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তার জন্য ঢাকা শহর একেবারেই নতুন নয়; ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি এই দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তার পূর্বপরিচয় ও অভিজ্ঞতা মাঠপর্যায়ে কাজ করতে তাকে বাড়তি সুবিধা দেবে।
গত বছরের জুলাইয়ে সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ঢাকা ত্যাগ করার পর পদটি শূন্য ছিল। বর্তমানে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রিস্টেনসেনকে মনোনয়ন দেন, যা ডিসেম্বরে সিনেটের চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে মার্কিন এই দূতের সক্রিয় অবস্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


