
তিনি বলেন, আমার কাছে মনে হয় এ দুর্নীতির আঘাত থেকে আমরা কেউ বাইরে নই। মূল দোষ হয় জনপ্রতিনিধির। সংসদের সাড়ে তিনশ এমপি, তাদের দুর্নীতি করার সুযোগ কোথায়? আমার কথায় কোনো কাজ হয় না, চাকরি হয় না। আমার কথায় সরকারের কোনো কেনাকাটা হয় না। তাহলে দুর্নীতি কীভাবে করব? তারাই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, যারা সরকারের কেনাকাটায় জড়িত।
সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের পিডি (প্রকল্প পরিচালক) আছেন জানিয়ে কবিরুল হক মুক্তি আরো বলেন, একজন পিডির কত শত শত কোটি টাকা আছে! আমার কাছে মনে হয় এরা মানসিক বিকারগ্রস্ত! এদের চিকিৎসা হওয়া প্রয়োজন। আমাদের সময় খুব কম। দেশটাকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে না পারি তাহলে ৩০ লাখ শহীদ আমাদের অভিশাপ দেবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের কিছু মানুষ, কিছু কর্মকর্তা, কিছু কর্মচারী বা আমরা (এমপি) কথায় কথায় বিদেশে চেকআপে যাই, মাউন্ট এলিজাবেথ, ইউরোপ-আমেরিকায় যাই। এর মাধ্যমে আমাদের দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে জনগণের কাছে অনাস্থা যায়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণ না হলে আমরা যতই বড় বাজেট দি না কেন দেশের জন্য ভালো হবে না।
ট্রাম্প এলে বাড়বে মূল্যস্ফীতি, নোবেলজয়ী ১৬ অর্থনীতিবিদের বিবৃতি
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



