
আদালত সূত্র ও আইনজীবীরা জানান, রবিবার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলার জামিন আবেদন করেন বিএনপির কয়েকজন নেতা। এদের মধ্যে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক তাবিউল ইসলাম তারিফ, জেলা বিএনপির সদস্য ইসমাইল হোসেন, আব্দুস সালামও ছিলেন। এই তিনজনের নামে থাকা একটি মামলা জামিন দিলেও অপর দুটি মামলায় আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আদালতেই হট্টগোল শুরু করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এদিকে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হট্টগোলের বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
বিএনপি নেতা-কর্মীদের আইনজীবী ফরিদ উদ্দীন বলেন, তিনটি মামলায় জামিন আবেদন করলেও একটিতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের জামিন দেওয়া হয়। দুটি মামলায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত। এরপরই হট্টগোল শুরু হয়।
ফরিদ উদ্দীন আরও বলেন, মামলা দুটি অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে করা। এগুলো রাজনৈতিক মামলা হওয়ায় প্রত্যাহার করার নির্দেশ রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই জামিনের প্রার্থনা করা হয়।
যুবদল নেতা তাবিউল ইসলাম তারিফ বলেন, মামলাগুলো আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়ের করা রাজনৈতিক মামলা। এগুলো মিথ্যা মামলা। দুটি মামলাই পুলিশ বাদী হয়ে করা। এই মামলাতেও জামিন না দিলে বিএনপি নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। পরে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অপসারণ দাবি করেন। অপসারণের জন্য ৭ দিনের সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



