
এর আগে কড়া নিরাপত্তায় আসা*মিদের বেলা ১১টার মধ্যেই আদালতের হাজতখানায় নেয়া হয়। দুপুর পৌনে ১২টায় স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মো. রুস্তম আলী এজলাসে বসেন এবং রায় ঘোষণা শুরু করেন। দুপুর ১২টায় রায় ঘোষণা শেষ হয়। এ সময় আদালতে সরকারপক্ষ এবং আসামিপক্ষের শতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। সকাল থেকেই আদালত চত্বরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং আসামিদের স্বজনরা এসে ভিড় করেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সর্দার আদালত চত্বরে আসেন।
রায় ঘোষণার পর দ*ণ্ডপ্রাপ্তদের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। আসামিদের আদালত থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজনকে উচ্চস্বরে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের অন্যায়ভাবে দ*ণ্ড দেয়া হয়েছে। আমরা এ রায় মানি না।’ অন্যদিকে রায়ের পর আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা আদালত চত্বরে আনন্দ মিছিল করেন এবং রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মিষ্টি বিতরণ করেন। তারা অবিলম্বে রায় কার্যকরের দাবি জানান। আদালত চত্বরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরাও সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মিছিল করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



