স্পোর্টস ডেস্ক : চলতি বিপিএলে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে গত শনিবার। কোনো রকম ইঙ্গিত বা পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে মেহেদি হাসান মিরাজকে সরিয়ে নাঈম ইসলামকে অধিনায়ক করেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। এরপর প্রবল আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন মিরাজ জানান, এবারের বিপিএলে আর খেলবেন না।

Advertisement

এসব কারণে মাঠের খেলা ছাপিয়ে আলোচনায় মিরাজের রহস্যময় নেতৃত্ব হারানো।

অধিনায়ক হিসেবে খারাপ করছিলেন না মিরাজ। কিন্তু এ নিয়ে চট্টগ্রাম কর্তৃপক্ষ বলেছিল, বিদায়ী কোচ পল নিক্সনের পরামর্শেই নাকি তারা মিরাজকে সরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু মিরাজ জানান, টিম মিটিংয়ে এমন কিছুই বললেনি নিক্সন। বরং তিনি মিরাজের নেতৃত্ব এবং পারফরম্যান্স নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন। তার মানে, কোনো এক পক্ষ সত্য বলছে না। এদিকে বিসিবি চেষ্টা করছে দুই পক্ষের মাঝে মিটমাট করে দিতে। কারণ টুর্নামেন্টের মাঝে নেতৃত্ব বদলের ঘটনা বাংলাদেশে এর আগেও ঘটেছে। যার পরিণতি কিন্তু মোটেও ভালো হয়নি।

২০১২ সাল। বাংলাদেশের ক্রিকেটের এক কলঙ্কজনক বছর। সেবারের বিপিএলের দ্বিতীয় আসরের মাঝপথে হুট করে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দল থেকেই বাদ দেওয়া হয় মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। নতুন অধিনায়ক হন মোহাম্মদ আশরাফুল। ঘটনাটি ঘটেছিল চট্টগ্রামের মাটিতে এবং চিটাগং কিংসের বিপক্ষে ঢাকার ম্যাচের আগমুহূর্তে। ম্যাচটি নিয়ে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট আকসু তদন্ত শুরু করে। কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে আসে কেউটে। স্পট ফিক্সিং করে ধরা পড়ে যান মোহাম্মদ আশরাফুল!

এবারও ঘটনা চট্টগ্রামের মাটিতে এবং নেতৃত্বে বদল আনা দলটিও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। তাই অনেকের মনেই আশঙ্কার কালো মেঘ জমতে শুরু করেছে। নেতৃত্বে বদল আনার মানে আবারও কোনো ফিক্সিং কেলেঙ্কারি নয় তো?

মিরাজকে অধিনায়কত্ব থেকে সরানো নিয়ে যা বলল চট্টগ্রাম

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.