জুমবাংলা ডেস্ক: লকডাউন ও ধান সংকটের অজুহাতে আবারো বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকারভেদে প্রতিকেজিতে বেড়েছে ২ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত । দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এদিকে নতুন ধান বাজারে পুরোপুরি না আসা পর্যন্ত চালের দাম কমবে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
যশোরে পাইকারী ও খুচরা বাজারে চালের দাম প্রতিকেজিতে বেড়েছে ২ থেকে ৮ টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, লকডাউন এবং মিলারদের কারসাজিতে তৈরি হয়েছে সংকট।
গত সপ্তাহে বাসমতি চাল প্রতিকেজির দাম ছিল ৬২ টাকা, এ সপ্তাহে হয়েছে ৭০ টাকা, মিনিকেট ৪ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা। এছাড়া কাজললতায় ৫টাকা, বিআর টেনে ৩টাকা এবং আতপ চালে বেড়েছে ২-৩টাকা।
কুষ্টিয়ার খাজানগর থেকে চাহিদার বেশিরভাগ মিনিকেট চাল সরবরাহ হয়ে থাকে। এক সপ্তাহে সেখানেও কেজিতে দাম বেড়েছে ২/৩ টাকা। দফায় দফায় চালের বাজার অস্থির হওয়ায় বিপাকে ক্রেতারা। চাহিদা অনুযায়ী ধানের সরবরাহ না থাকায় দাম বাড়ার কারন বলছেন মিল মালিকরা।
এছাড়া নওগাঁয়ও চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩/৫ টাকা। এজন্য নানা যুক্তি দেখাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। একই অবস্থা দিনাজপুরের বাজারেও। এ অবস্থায় এলসি খোলা রাখা ও বাজারজাতের সময় ১০ থেকে বাড়িয়ে ৩০ এপ্রিল করার দাবি ব্যবসায়ীদের।
এদিকে, লক্ষ্মীপুরে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৩ টাকা। এজন্য মিলারদের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ করেছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। এছাড়া মেহেরপুরে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে ৪ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত।
দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়ে চলায় আবারো লকডাউনের ঘোষণা এবং রমজান চলে আসায় এমনিতেই বাজারের প্রতিটি পণ্যের দাম উর্ধ্বমূখী রয়েছে। এর মধ্যে আবারো চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষেরা পড়েছেন ভোগান্তিতে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


