কয়েক দফা কমার পর আবারও দেশের স্বর্ণবাজারে দাম বাড়ার খবর এল। যারা কিছুটা স্বস্তি খুঁজছিলেন, তাদের জন্য এই সিদ্ধান্তটা কিছুটা অপ্রত্যাশিতই বলা যায়। শনিবার সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন মূল্য ঘোষণা করার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ব্যবসায়ী থেকে ক্রেতা—সবাইয়ের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৭ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা। নতুন এই মূল্য সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে, ফলে বাজারে লেনদেনও শুরু হয়েছে এই দামে।
মূলত স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার, অর্থাৎ পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়াকেই এই সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। বাজুসের ভাষ্য অনুযায়ী, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই নতুন দর ঠিক করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পরিস্থিতিও এখানে প্রভাব ফেলছে।
এর আগে অবশ্য ঠিক উল্টো চিত্র ছিল। কিছুদিন আগেই ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে একই ক্যারেটের সোনার দাম নামিয়ে আনা হয়েছিল ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায়। সেই দামের প্রভাব পুরোপুরি স্থিতিশীল হওয়ার আগেই আবার নতুন করে বৃদ্ধি এলো।
জুয়েলারি দোকানগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দাম কমলে ক্রেতার উপস্থিতি কিছুটা বাড়ে, কিন্তু দাম বাড়ার খবর এলে অনেকেই অপেক্ষার কৌশল নেয়। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুম সামনে থাকলে এই ওঠানামা ক্রেতাদের সিদ্ধান্তে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সোনার দামে এই ওঠানামা নতুন কিছু নয়। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যে একাধিকবার দাম পরিবর্তন হলে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। অনেকেই তখন বুঝে উঠতে পারেন না, কখন কেনাটা তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক হবে।
আরও পড়ুনঃ
দেশের সব পেট্রোল পাম্পের জন্য ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত
বর্তমানে নতুন দামের প্রভাব পুরোপুরি বুঝতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, বাজার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হবে এবং ক্রেতারাও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেবেন। আপাতত স্বর্ণবাজারে আবারও দামের ঊর্ধ্বগতিই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


