
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার খলিফার হাটে নির্বাচনি জনসভায় এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দাঁড়িপাল্লার দিন শেষ, ডিজিটাল বাংলাদেশ।
সবশেষ ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মণি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মণি বলেন, আপনাদের কাছে একটা ঘটনা বলি- আমি যখন এমপি ছিলাম, তখন পাথরঘাটা ছাত্রদল সভাপতি ছিল ছোট্ট। ছোট্ট পাইলা ধরে চান্দা খেত। চিংড়ি মাছের পোনার পাতিল থেকে চান্দা নিত। এটা শুনে আমি তিনবার নিষেধ করেছি। এরপর ওসিকে দিয়েও নিষেধ করিয়েছি। বলেছি, টাকা-পয়সা লাগলে- নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য কর। কিন্তু আমার কথা শোনেনি। এরপর আমি যতদিন এমপি ছিলাম, ততদিন জেলেই ছিল।
এসময় চাঁদাবাজদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা চান্দা খাইছেন – ভালো হয়ে যাবেন, এটা আমি অনুরোধ করি। ভালো না হলে ১২ তারিখে আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে এমপি বানান, তাহলে চান্দাবাজরা ভালো হয়ে এখানে থাকবে, নয়তো বরগুনা (জেলে) থাকবে। চান্দবাজরা আজকে থেকে আপনার সাবধান হয়ে যাবেন। ১২ তারিখ যদি আমি এমপি হই, ১৩ তারিখ থেকে ওই লোকেরা (চান্দাবাজরা) ওইদিকে (জেলে) থাকবে।’
অতীতে আমাদের সঙ্গে যা যা হয়েছে, আমরা তা দলের পক্ষ থেকে ক্ষমা করে দিলাম: জামায়াত আমির
এসময় জনসভায় উপস্থিত স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমি চান্দাবাজ পালিনি (প্রশ্রয়) দেইনি এমপি থাকাকালীন ১৫ বছরে। আমি পালছি? আমার সাথে কোনো চান্দাবাজ হাঁটছে? কোনো চোর হাঁটছে? কোনো ডাকাত হাঁটছে? চান্দা খাইতে হবে না। চান্দাবাজদের জন্য কাজ জোগাড় করব। সেই কাজ করে আপনারা (চান্দাবাজরা) বড় হওয়ার চেষ্টা করবেন এবং ভালো থাকার চেষ্টা করবেন।’
জনসভায় জামায়াতে ইসলামী প্রসঙ্গে মণি বলেন, উলটাপালটা করার কারণে দেশে কোনো দাঁড়িপাল্লা নাই। দাঁড়িপাল্লার দিন শেষ, ডিজিটাল বাংলাদেশ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



