আন্তর্জাতিক

ইরাক থেকে মার্কিন বাহিনী চলে যাক, তা চায় না সৌদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন বাহিনী ইরাক ছেড়ে চলে যাক, তা চায় না সৌদি আরব। এতে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কমে যেতে পারে বলে উপসাগরীয় প্রভাবশালী দেশটির আশঙ্কা।

সোমবার সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল-সৌদি এমন কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, এ অঞ্চলে মার্কিন উপস্থিতি জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসকে পরাজিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো নতুন করে জেগে উঠতে পারছে না।

রিয়াদের নির্ভরযোগ্য মিত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বারবার নিজেকে প্রমাণ করেছে জানিয়ে প্রিন্স ফয়সাল বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটছে।

সৌদি আরবে বর্তমানে তিন হাজার মার্কিন সেনা সদস্য রয়েছে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পেন্টাগনের সঙ্গে আমরা ভালো মতোই কাজ করছি। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আমরা সহায়তা করছি।

চলতি মাসের শুরুতে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হওয়ার পর ইরাক থেকে মার্কিন সেনা বিতাড়ণের দাবি তীব্রতর হচ্ছে।

ইরাক ছেড়ে তাদের চলে যেতে দাবি জানিয়ে শুক্রবার হাজার হাজার বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসেন। ইরাকে বর্তমানে পাঁচ হাজারের মতো মার্কিন সেনা রয়েছে।

সোলাইমানিকে হত্যার পর মার্কিন বাহিনীর বহিষ্কারে ইরাকের পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হয়েছে। কিন্তু সেনা সরিয়ে নেয়ার কোনো ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

প্রিন্স ফয়সাল বলেন, মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করা হলে আইএসের ফিরে আসার ঝুঁকি বাড়বে।

সোলাইমানির ওপর হামলায় যুক্তরাষ্ট্র নিজের বৈধ আত্ম-সুরক্ষার পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এছাড়া ইরানি জেনারেলকে হত্যায় মধ্যপ্রাচ্য আরও নিরাপদ হয়েছে বলে যে দাবি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও করেছেন, তাতে তিনিও তিনি একমত। তবে এই হামলার পরেও ইরানের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসছে বলে মনে করছেন না প্রিন্স ফারহান।

যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও। ডাউনলোডকরুন : http://bit.ly/2FQWuTP




জুমবাংলানিউজ/এসআর


আপনি আরও যা পড়তে পারেন


rocket

সর্বশেষ সংবাদ