ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত উন্নত ড্রোন কৌশল ইরানকে সরবরাহ করছে রাশিয়া। যার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এক পশ্চিমা গোয়েন্দার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

ইরানের নকশায় তৈরি হলেও ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য মস্কোতে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত শাহেদ ড্রোন উপসাগরীয় দেশগুলোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করতে সফল হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত ইরানকে শুধু গোয়েন্দা তথ্য দিলেও এখন সামরিক প্রযুক্তির মাধ্যমেও সহায়তা করেছে রাশিয়া।
সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য হওয়ায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আগে যে সহায়তা ছিল তা তুলনামূলকভাবে সাধারণ, তবে এখন সেটা আরও উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনে রাশিয়া যে ইউএএস (ড্রোন) লক্ষ্য নির্ধারণ কৌশল ব্যবহার করেছে, সেগুলোও এখন (ইরানকে) দেয়া হচ্ছে।’
তবে ঠিক কী ধরনের কৌশলগত সহায়তা দেয়া হয়েছে তা উল্লেখ করতে অস্বীকৃতি জানান এই কর্মকর্তা। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া প্রায়ই একসঙ্গে একাধিক শাহেদ ড্রোন ঢেউয়ের মতো পাঠিয়েছে, যা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়াতে নিয়মিত দিক পরিবর্তন করে উড়ে যায়। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ক্রেমলিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সিএনএন।
এদিকে বুধবার (১১ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া পোস্টে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, ‘রাশিয়া ইতোমধ্যে ড্রোনের মাধ্যমে ইরানি শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন দিতে শুরু করেছে। তারা নিশ্চিতভাবেই ক্ষেপণাস্ত্র নিয়েও সহায়তা করবে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেও সাহায্য করছে।’
ইউক্রেন ইতোমধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে, যাতে তুলনামূলকভাবে কম দামের শাহেদ ড্রোন প্রতিরোধে নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেয়া যায়। একটি শাহেদ ড্রোনের দাম প্রায় ৩০ হাজার ডলার। এগুলো মোকাবিলায় ইউক্রেন প্রায় ৫ হাজার ডলার মূল্যের ছোট ইন্টারসেপ্টর তৈরি করেছে, যা দ্রুত উৎপাদন করা সম্ভব।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


