দখলদার ইসরায়েলে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্লাস্টার বোমা বা গুচ্ছ বোমার ‘সাব-মিউনিশন’ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষাবাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, মঙ্গলবার দেশের মধ্যাঞ্চলের একটি এলাকায় এ ধরনের বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ওই এলাকায় এক ডজনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তেল আবিব জেলার কমান্ডার হাইম সারগারফ বলেন, মধ্যাঞ্চলের একাধিক স্থানে ক্লাস্টার বোমা হামলার তথ্য পাওয়া গেছে। হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন এবং কিছু ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটেছে।
এর আগে আইডিএফ দাবি করে, ইরান ইসরায়েলের দিকে ক্লাস্টার বোমা সমৃদ্ধ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। গত বছরের জুনে সংঘটিত যুদ্ধেও ইরান একই ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছিল বলে জানায় তারা।
ক্লাস্টার বোমা বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভেদে নিচে নামার সময় এর মূল অংশ বা ওয়ারহেড খুলে গিয়ে প্রায় ৮ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ২০টি ছোট বোমা ছড়িয়ে দেয়। প্রতিটি ছোট বোমায় আনুমানিক আড়াই কেজি (৫.৫ পাউন্ড) বিস্ফোরক থাকে।
আইডিএফ জানিয়েছে, ক্লাস্টার বোমা হামলার প্রেক্ষাপটে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানায়, “ইসরায়েলি তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল এবং জরুরি সেবা সংস্থার একাধিক ইউনিট বর্তমানে মধ্যাঞ্চলে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে কাজ করছে। হামলার পর সেখানকার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
ইসরায়েলি চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের সর্বশেষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ১২ জন সামান্য আহত হয়েছেন।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


