
এদিকে, ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি বলছে, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে কেউ চাইলে মার্কেট বন্ধ রাখতে পারেন। তবে যারা খুলবেন তাদের সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা করার আহ্বান তাদের।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কথা ছিল ঈদ উপলক্ষে শর্ত সাপেক্ষে ১০ মে থেকে সীমিত পরিসরে খুলবে বিপণিবিতান ও শপিংমল। নির্দেশনা দেয়া হয়, শপিং মলে প্রবেশের সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করে হাত জীবাণুমুক্ত করতে হবে। দোকানের ভেতরে নিশ্চিত করতে হবে সামাজিক দূরত্ব।
তবে হাজারো ক্রেতা সমাগমে শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে না পারার আশঙ্কায় মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকার বেশ কিছু শপিংমল ও মার্কেট কর্তৃপক্ষ। রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউসিয়া, বসুন্ধরা শপিং সেন্টার, যমুনা ফিউচার পার্ক না খোলার সিন্ধান্ত নিয়ে মার্কেট কর্তৃপক্ষ জানায়, বহু মানুষের সংক্রমণের আশঙ্কায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শপিং মল বন্ধ রাখার কথাও জানান তারা।
যমুনা গ্রুপের পরিচালক ড. মো. আলমগীর আলম বলেন, হাজার মানুষের উপস্থিতি সামাজিক যে দূরত্ব মেনে চলার যে ব্যবস্থা সেটি ভেঙে দিতে পারে। এছাড়া সংক্রমিত হতে পারে হাজার হাজার মানুষ।
নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতি সভাপতি আমিনুল ইসলাম শাহীন বলেন, আমরা আমাদের এক্সিকিউটিভ কমিটির মেম্বারদের জানিয়েছি, কী আমাদের করণীয়। এছাড়া আসামী ৯ মে আমরা সিদ্ধান্ত জানাবো।
এদিকে নিজ উদ্যোগে কেউ মার্কেট বন্ধ রাখতে চাইলে সে বিষয়ে কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি।
ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি সভাপতি তৌফিক এহসান বলেন, ঢাকাতে যারা রয়েছেন তারা ক্ষুদ্র আকারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারবেন।
যারা দোকান খুলবেন তাদের সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা আহ্বান মালিক সমিতির।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



