দেশের লাখো শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা এবার একটি শর্তের উপর আটকে আছে। মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব যদি অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে যাচাই করা না থাকে, তাহলে টাকা মিলবে না—এটাই এখন বাস্তবতা।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট বৃহস্পতিবার একটি চিঠি পাঠিয়েছে দেশের সব উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে। সেই চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি এবং সমমানের শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব অভিভাবকের এনআইডি দিয়ে ভ্যালিডেশন করতে হবে।
এই কাজের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে—১৭ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত। HSP-MIS সফটওয়্যারে ‘মোবাইল ব্যাংক তথ্য আপডেট’ অপশন এই কদিন খোলা থাকবে। এর বাইরে আর সুযোগ নেই।
যে শিক্ষার্থীর তথ্য এই সময়ের মধ্যে আপডেট হবে না, তার উপবৃত্তি বিতরণ আপাতত বন্ধ রাখা হবে। মানে, টাকা আসবে না—যতদিন না যাচাই সম্পন্ন হচ্ছে।
অনেক পরিবারেই হয়তো এখনও এই বিষয়টা জানা নেই। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এই নির্দেশনার বাইরে থাকতে পারেন। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে যেন শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার সময়মতো পদক্ষেপ নিতে পারেন।
বিষয়টা আসলে খুব জটিল কিছু নয়। কিন্তু সময়সীমা ছোট। মাত্র চার দিনের সুযোগে যদি এই কাজ না হয়, তাহলে উপবৃত্তির টাকা পেতে দেরি হবে—আর সেটা একটি সাধারণ পরিবারের জন্য বেশ বড় ধাক্কা হতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের জটিলতা এড়াতেই এই যাচাই প্রক্রিয়াটি চালু করা হয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবের তথ্য সঠিক ও যাচাইযোগ্য থাকলে উপবৃত্তির অর্থ সরাসরি ও নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছে দেওয়া সহজ হয়।
আরও পড়ুনঃ
শাওমি রেডমি টার্বো 5 এল বিশাল ব্যাটারি ও শক্তিশালী প্রসেসর নিয়ে, জেনে নিন দাম ও ফিচার
তাই যেসব অভিভাবকের সন্তান এই কর্মসূচির আওতায় আছে, তাদের এখনই স্কুলে যোগাযোগ করা দরকার। সময় যাচ্ছে দ্রুত, আর এই একটু সতর্কতাই পারে অনেক ঝামেলা থেকে বাঁচাতে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



