দেশব্যাপী উৎসে কর কর্তন (উইথহোল্ডিং ট্যাক্স) ও যাচাই কার্যক্রম জোরদার করতে মাঠপর্যায়ের কর কর্মকর্তাদের জন্য পাঁচটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একইসঙ্গে রাজস্ব আহরণের এই রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা অসহযোগিতা করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

রোববার (১৯ জুলাই) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের কর অঞ্চলগুলোর বিশেষ টিম ইতোমধ্যে দেশব্যাপী এই সরেজমিন তদারকি কার্যক্রম শুরু করেছে।
আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা অনুযায়ী কর কর্মকর্তাদের যে পাঁচটি বিশেষ ক্ষমতা ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো –
সরেজমিন পরিদর্শন
যেকোনো বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ, ব্যবসাকেন্দ্র বা দপ্তরে বিনা বাধায় প্রবেশ ও সরেজমিন পরিদর্শন।
নথিপত্র পরীক্ষা ও তলব
প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক হিসাব বিবরণী, রসিদ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম-সম্পর্কিত যেকোনো নথিপত্র পরীক্ষা ও তলব করা।
ডিজিটাল ও ক্লাউড সার্ভারে প্রবেশ
প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ভাঙার মাধ্যমে প্রবেশ করা।
ডিভাইস ও রেকর্ড জব্দ
উৎসে কর্তিত করের সত্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় হিসাবের খাতা, নথিপত্র, ইলেকট্রনিক রেকর্ড বা ডিভাইস সাময়িকভাবে জব্দ করা ও নিজস্ব হেফাজতে নেওয়া।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
নকল ও সিলমোহর ব্যবহার
যেকোনো নথিপত্র, ইমেজ বা অ্যাকাউন্টের কপি সংগ্রহ করা এবং তাতে শনাক্তকরণ চিহ্ন বা সিলমোহর ব্যবহার করা।
এনবিআর জানিয়েছে, আয়কর আইনের ১৪৭ (২) ধারা অনুযায়ী, এই কার্যক্রমে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



