বিনোদন ডেস্ক: ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকে তিনি ‘বদি’। ‘নক্ষত্রের রাত’ নাটকে ‘দুলাভাই’। ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানে তিনি ‘মামা’। সব মিলিয়ে একজন পরিপূর্ণ অভিনেতা। তিনি শোবিজ অঙ্গনের সকলের প্রিয় আবদুল কাদের।
ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জনপ্রিয় এ অভিনেতা। তৃতীয় জানাজা শেষে ওই দিন বিকেলে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।
সদ্য প্রয়াত এ অভিনেতার ইচ্ছা ছিল আত্মজীবনী বই প্রকাশ করার। এমনটাই জানিয়েছেন তার সহকর্মী, প্রকাশক ও অভিনেতা হাফিজুর রহমান সুরুজ। তিনি বলেন, ‘কাদের ভাইয়ের একটা শেষ ইচ্ছা ছিল। আত্মজীবনী লিখতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আমার জীবদদ্দশায় তুই বইটা বের করে দে। তার এই ইচ্ছার কথা শুনে একটা লোক ঠিক করেছিলাম, তার কাছ থেকে শুনে শুনে আত্মজীবনীর পান্ডুলিপিটা করতে। পরে নানা কারণেই তা হয়ে ওঠেনি। এরপর আবদুল কাদের ভাই নিজেই তার আত্মজীবনী লেখা শুরু করেছিলেন।’
চলতি বছর ২০ আগষ্ট আবদুল কাদেরের সঙ্গে সবশেষ কথা হয় সুরুজের। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, আত্মজীবনীর বেশ কিছু অংশ লেখা হয়েছে। একুশে বইমেলায় এটি বের করা যাবে। অভিনেতার পরিবারের অনুমতি সাপেক্ষে বইটি ছাপাতে চান এ প্রকাশক। তার ভাষায়, ‘যতটুকু তিনি লিখে গেছেন, সেটুকুই তার ভক্তদের সামনে আনতে প্রস্তুত আমি।’
প্যানক্রিয়াসের ক্যানসারে ভুগছিলেন আবদুল কাদের। ক্যানসার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়েছিল। ১৯৫১ সালে মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার সোনারং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল কাদের। ছোটপর্দা, বিজ্ঞাপন এবং বড়পর্দা- তিন মাধ্যমেই সমান জনপ্রিয় ছিলেন তিনি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


