Coronavirus (করোনাভাইরাস) আন্তর্জাতিক

একদিনে ৬ হাজার মৃত্যু দেখল বিশ্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে উৎপত্তি হওয়ার পর থেকে এরই মধ্যে নোভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বময়। এরই মধ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৩৪ হাজার ও মৃত্যু ৫৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের তথ্যানুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার গোটা বিশ্বে ২৪ ঘণ্টায় এই ভাইরাসের সংক্রমণে প্রাণ গেছে ৫ হাজার ৯৭৫ জনের। যা বিশ্বময় করোনার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার পর মৃত্যুর রেকর্ড। গতকাল শুক্রবারও রাত ৮টা পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসে ১ হাজার ৩শর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

মৃত্যুর দিক থেকে অন্যান্য দিনের মতো বৃহস্পতিবারও শীর্ষে ছিল ইউরোপের দেশগুলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর কখনোই ইউরোপ এত প্রাণহানি দেখেনি। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বৃহস্পতিবার প্রাণহাণিতে এদিন ইতালি ও স্পেনকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠে আসে ফ্রান্স। দেশটিতে এদিন প্রাণহানি

ছাড়িয়েছে হাজারের কোঠা। এ ছাড়া এদিন স্পেনে ৯৬১, ইতালিতে ৭৬০, যুক্তরাজ্যে ৫৬৯, জার্মানিতে ১৭৬, বেলজিয়ামে ১৮৩, নেদারল্যান্ডসে ১৬৬, সুইজারল্যান্ডে ৪৮ জনসহ অন্য দেশগুলোতেও ব্যাপক প্রাণহাণি হয়েছে। গতকালও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ প্রাণহানি অব্যাহত ছিল। ইউরোপের বাইরে এদিন এককভাবে প্রাণহানির দিক থেকে শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে বৃহস্পতিবার ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেছে ৯৬৮ জনের। স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম বলছে, গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র সময় দুপুর পর্যন্ত দেশটিতে আরও ৫ শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।


এদিকে নানা প্রচেষ্টার পরও কেন করোনা ভাইরাসে প্রতিদিন এত প্রাণহানি হচ্ছে তা জানতে উঠেপড়ে লেগেছেন বিজ্ঞানীরা। সেইসঙ্গে বিভিন্ন দেশে চলছে করোনার প্রতিষেধক ও ওষুধ তৈরির প্রচেষ্টাও। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বারবার জিনের ধরন বদলেই করোনা এত ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে ভাইরাসটি অন্তত ৩৮০ বার নিজের জিন বদলে ফেলেছে। ভারতের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ইন্দ্রনীল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, এত কম সময়ের মধ্যে ঘন ঘন জিন মিউটেশন করে করোনা নিজের চরিত্র বদলে ফেলছে যে, একে রুখতে সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধ ব্যবহার করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। তারপরও একে রুখতে বিজ্ঞান তার সর্বশক্তি প্রয়োগ করছে।

অবশ্য প্রায় দুই দশক ধরে করোনা গোত্রেরই ভাইরাস নিয়ে চিকিৎসকরা চিন্তিত। ১৮ বছর আগে সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম বা সার্সও এমনই ঘুম কেড়ে নিয়েছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের। এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে মারা পড়তেন প্রায় ১০ শতাংশ। মার্স বা মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোমও ২০১২ সালে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন দ্রুত প্রতিষেধক তৈরি করে তার সাহায্যে রোগের প্রকোপ আটকে দেওয়া হয়। কোভিড-১৯ সেই গোত্রেরই জীবাণু। তবে আগের ভাইরাসদের থেকে এর কিছু চরিত্রগত তফাত আছে। তাই প্রতিষেধক নিয়ে নানা পরীক্ষা চললেও কোনো কার্যকর টিকা বা ওষুধ বানানো মুশকিল হয়ে পড়ছে। তাই গবেষকরা এখন ‘হোস্ট ডিরেক্টেড থেরাপির’ কথা ভাবছেন। অর্থাৎ মানুষের জিনের যে প্রোটিনের ওপর কোভিড-১৯ বেড়ে ওঠে, তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া। বিজ্ঞানীদের ধারণা, তা হলেই হয়তো এই ভাইরাসের দৌরাত্ম্য রোখা সম্ভব হবে।

যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : http://bit.ly/2FQWuTP

আরও পড়ুন

সেই হাতির পোস্টমর্টেম প্রকাশ, ৩ ঘাতক শনাক্ত

Shamim Reza

গত ২৪ ঘন্টায় বাড়িতেই মারা গেছেন ১৩ জন করোনা রোগী

mdhmajor

বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করছে অভিনব এক গাড়ি

Shamim Reza

একদিনে করোনায় মৃত্যুতে ঢাকাকে আবার ছাড়িয়ে গেল চট্টগ্রাম

mdhmajor

অনেকের করোনা হবেই না, কারণ তাদের দেহে বিশেষ টি-সেল আছে

Shamim Reza

গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মারা যাওয়া ৩০ জনের মধ্যে ঢাকার ১১ জন

mdhmajor