Views: 196

Coronavirus (করোনাভাইরাস) জাতীয়

একনজরে দেখে নিন দেশের কোন এলাকায় করোনায় কত মৃত্যু

জুমবাংলা ডেস্ক: মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণে দেশে আরো ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় তাদের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে দেশে ভাইরাসটির সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ হাজার ৭৮১ জনে। এর আগে গত মঙ্গলবার ও বুধবার ছাড়া তার আগের চার দিনই দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল।

মারাত্মক সংক্রামক এই ভাইরাসটি গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে দেশের আরো ৪ হাজার ১৪ জনের দেহে। মহামারি শুরুর পর থেকে সব মিলিয়ে এই শনাক্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৭ লাখ ৩৬ হাজার ৭৪ এ। সংক্রমণের সেকেন্ড ওয়েভে গত কয়েক দিন ধরেই ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়ে আসছিল। তবে লকডাউনের কারণে পরীক্ষা কমে যাওয়ার সঙ্গে কমেছে শনাক্তের সংখ্যাও।

বৃহস্পতিবার সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে করোনাভাইরাস বিষয়ে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত অ্যান্টিজেন ও আরটি-পিসিআর পদ্ধতিতে ২৭ হাজার ৪২৯টি নমুনা পরীক্ষা করে করোনায় আক্রান্ত আরও চার হাজার ১৪ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯৮ জনের মধ্যে ৬২ জন পুরুষ ও ৩৬ জন নারী। এ পর্যন্ত পুরুষ ৭ হাজার ৯৪৮ জন এবং নারী মৃত্যুবরণ করেছেন ২ হাজার ৮৩৩ জন।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়াদের মধ্যে ৬০ ঊর্ধ্ব ৫৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন এবং ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ২ জন রয়েছেন।

বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ৫৫ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ জন, রাজশাহীতে ৬ জন, খুলনায় ৫ জন, সিলেটে ৪ জন, রংপুরে ৩ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৫ জন মারা গেছেন।

২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৬ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৬ জন এবং বাড়িতে মারা গেছেন ৬ জন।

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন সাত হাজার ২৬৬ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ছয় লাখ ৪২ হাজার ৪৪৯ জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৫২ লাখ ৭৭ হাজার ১১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে মোট পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ। মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ২৮ শতাংশ ও মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৬ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে সারাদেশে মোট আইসিইউ শয্যার সংখ্যা এক হাজার ৬৬। এর মধ্যে বর্তমানে ফাঁকা রয়েছে ২৯১টি। এখন পর্যন্ত সারাদেশে ৫৭ লাখ ৬১ হাজার ৯০২ জনকে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। আর ১৮ লাখ ১৫ হাজার ৯৮৭ জনকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে।

দেশে গত বছর ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের তথ্য জানায় সরকার। সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মাত্র ৩ মাসের মাথায় দৈনিক শনাক্ত ব্যাপক মাত্রায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ডিসেম্বর থেকে তা কমতে থাকে। এমনকি একসময় দৈনিক শনাক্ত ৩০০-রও নিচে নেমে আসে। এরই মধ্যে দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকাদান কার্যক্রম শুরু হলে কিছুটা স্বস্তি নামে। তবে এই স্বস্তি খুব বেশিদিন থাকেনি। দেশে সংক্রমণের যখন একবছর হতে চলেছে, ঠিক সেসময় নতুন করে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। প্রায় প্রতিদিনই ছাড়িয়ে যাচ্ছে আগের দিনের সংক্রমণের সংখ্যা। এরই মধ্যে গত সোমবার থেকে সাতদিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।

Share:



আরও পড়ুন

২৫ মে থেকে চীনের টিকার প্রথম ডোজ শুরু

rony

মিতু হত্যা: রিমান্ড শেষে আদালতে বাবুল আক্তার

rony

দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল নিয়ে যে প্রস্তাব দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

rony

ঢাকাগামী যাত্রীদের ঢল নেমেছে শিমুলিয়ায়

azad

প্রবাসীর পাঠানো ল্যাপটপ নিয়ে উধাও, শেষ রক্ষা হলো না রাজার

mdhmajor

পদ্মায় ২৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু: প্রধান আসামি সেই স্পিডবোট চালক গ্রেপ্তার

rony