
আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শাহবাগ মোড় দখল করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এতে শাহবাগের চারপাশের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, চকবাজার শ্রমিকদের একটি দলও লাঠিসোঁটা নিয়ে আন্দোলনে এসেছেন। টিএসসিতে আনসার পুলিশ ব্যাটালিয়নের কয়েকজন সদস্যকে পেয়ে তারা ধাক্কাতে শুরু করেন। পরে তারা ক্ষমা চেয়ে সরে যান।
শাহবাগে পৌঁছালে পিজির ভেতর থেকে প্রথমে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল-ঢিল ছুঁড়তে শুরু করেন। এ সময় শাহবাগে থাকা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ধাওয়া খেয়ে পিজিতে ঢুকে যায়।
এদিকে শাহবাগে অবস্থানকারীরা ‘দফা এক দাবি এক শেখ হাসিনার পদত্যাগ’, ‘অভ্যুত্থান, অভ্যুত্থান, ‘ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে,’ ‘জাস্টিস জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস,’ ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত,’ ‘স্বৈরাচারের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে,’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
অসহযোগ আন্দোলনের পাশাপাশি আজ রাজধানীসহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশের ডাক দিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
কেন্দ্রীয়ভাবে শাহবাগে বেলা ১১টা থেকে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশ আয়োজনের কথা জানান আন্দোলনের সমন্বয়করা। এছাড়া রাজধানীতে সায়েন্স ল্যাব, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, টেকনিক্যাল, মিরপুর ১০, রামপুরা, তেজগাঁও, ফার্মগেট, পান্থপথ, যাত্রাবাড়ী ও উত্তরায় বিক্ষোভ ও গণসমাবেশ আয়োজনের কথা রয়েছে।
কর্মসূচি সফল করতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী, পেশাজীবী, রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক নির্বিশেষে আপামর জনসাধারণকে রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানানো হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



