
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হাফিজুরের মৃত্যুর রহস্যের জাল খুলতে গিয়ে সন্ধান মেলে এলএসডির। এ ঘটনায় জড়িত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারের পর তাদের দেয়া তথ্যে এবার গ্রেপ্তার হলো আরও পাঁচজন। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ এলএসডি এবং আইস।
পুলিশ বলছে, এলএসডি এতটাই ভয়ানক এক মাদক যে, এর পরিমাপ করা হয় মাইক্রোগ্রামে। এই মাদক সেবনের ফলে যে কেউ বোধশক্তি হারিয়ে ভয়ানক কিছু করে বসতে পারে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, মাদকটি মূলত ছোট একটা বিষয়। এটি ঠোঁটের নিচে দিয়ে সেবন করে। যারা ব্যবহার করে, তাদের কাছেই রাখা হয়। তারা এগুলো বহন করে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে।
এ কে এম হাফিজ আক্তার বরেন, যারা এগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে পড়বে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ আরও বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায় গত এক বছর ধরে দেশে এলএসডির ব্যবসা চালিয়ে আসছে আরও ১৩-১৪টি চক্র। এদিকে এই ঘটনায় আগে গ্রেপ্তার তিন শিক্ষার্থীকে পাঁচদিন করে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



