Views: 1120

ঢাকা বিভাগীয় সংবাদ

ওয়ার্ডবয় করতেন অস্ত্রোপচার, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এইচএসসি পাস


জুমবাংলা ডেস্ক : রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও শ্যামলী এলাকায় তিনটি হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে কয়েকজনকে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

বুধবার রাতে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসুর নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সহায়তা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও র‌্যাব-২।

জানা যায়, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের স্বল্প মূল্যে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নুরজাহান অর্থপেডিক্স হাসপাতালে নিয়ে আসতো একটি চক্র। অথচ হাসপাতালটি এতটাই অপরিষ্কার যে ফ্লোরে রক্ত মাখা কাপড় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। এমনকি রোগীর অস্ত্রোপচার করতেন হাসপাতালটির ওয়ার্ডবয় জাহাঙ্গীর হোসেন।
এসব অভিযোগে জাহাঙ্গীর হোসেনকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও হাসপাতালটির পরিচালক বাবুর হোসেনকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু জানান, রাজধানীর শ্যামলী ও মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোডে হাসপাতালে কম খরচে উন্নত চিকিৎসার আশ্বাসে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে আনে দালাল সিন্ডিকেট। তারা রোগী আনার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সরকারি হাসপাতাল সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া।


অভিযানে নুরজাহান অর্থপেডিক্স হাসপাতালে নোংরা পরিবেশ ও ওয়ার্ডবয়কে দিয়ে অস্ত্রোপচার করানোর অভিযোগে হাসপাতালটির পরিচালক বাবুল হোসেনকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ওয়ার্ডবয় জাহাঙ্গীরকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযান শেষে হাসপাতালটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ক্রিসেন্ট হাসপাতালের পরিচালক হাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেন পাস করেছেন এইচএসসি পর্যন্ত। অথচ তিনি একাধারে হাসপাতালটির পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। রোগীদের ভাঙা হাত-পায়ের এক্স-রে দেখে অপারেশনের সিদ্ধান্ত তিনি নিজেই নিতেন। এমনকি ক্রিসেন্ট হাসপাতালের অনুমোদনের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে আরও চার মাস আগে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আবুল হোসেনকে এক বছরের কারাদণ্ড ও হাসপাতালটিকে সতর্ক করা হয়েছে।

অভিযানের শুরুতেই রাজধানীর মক্কা-মদিনা হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। সেখানকার পরিচালক নূর নবীরও কোনো ধরনের চিকিৎসা দেওয়ার সনদ বা অনুমোদন নেই। অথচ তিনি রোগী দেখছেন এবং তাদের ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন। হাত-পা ভাঙাসহ বিভিন্ন গুরুতর আহত যে রোগীরা আসছেন, তাদের অপারেশনের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছিলেন।

এ অপরাধে হাসপাতালটির পরিচালক নূর নবীকে এক বছরের কারাদণ্ডসহ আনোয়ার হোসেন কালু ও তার সহযোগী আব্দুর রশিদকে ছয়মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একইসঙ্গে মক্কা-মদিনা হাসপাতালটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

পলাশ কুমার বসু বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকায় সরকারি হাসপাতালে সাধারণ মানুষ আসে চিকিৎসা নিতে। তারা বেশিরভাগই অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল। তারাই বেশি এসব দালাল চক্রের খপ্পরে পড়েন।


যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.zoombox.kidschool



আরও পড়ুন

কালীগঞ্জ ১৬-২০ গ্রেড সরকারী কর্মচারী সমিতির সভাপতি বাতেন, সম্পাদক এরশাদ

rskaligonjnews

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফজল মাস্টার আর নেই

azad

দেশে ফিরল ভারতে পাচার হওয়া শিশুসহ ৮ নারী

Saiful Islam

এমসি কলেজে ধর্ষণ: ডিএনএ পরীক্ষায় ৪ জন জড়িত থাকার প্রমাণ

Saiful Islam

ভাসানচরে যাচ্ছে রোহিঙ্গাদের প্রথম দল

Saiful Islam

ম্যারাডোনার মৃত্যুতে ভাত খাওয়া বন্ধ রেখে ৭ দিনের শোক!

Saiful Islam