
গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সালাউদ্দীন আহমদ জানান, রবিবার রাত ১০টার দিকে ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে তার অবস্থা খুব খারাপ ছিল। এরপর তাকে চিকিৎসা দেওয়ার পর সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর থেকে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে তিনি কথা বলতে পারছেন এবং খাবার খেতে চাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত। তাবে তার কথা স্পষ্ট নয়।
উপজেলার রহনপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকার ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ১৪/১৫ দিন আগে দুইজন লোক ভ্যানে করে ওই বৃদ্ধাকে নিয়ে এসে স্টেশনে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে আমি তাকে সেখান থেকে তুলে স্টেশনের পরিত্যক্ত ছাউনির নিচে খড় দিয়ে বিছানা করে থাকার ব্যবস্থা করে দেই। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনসহ কয়েকজন রবিবার (১২ জানুয়ারি) রাতে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এদিকে অমানবিক এই ঘটনার খবর পেয়ে ওই বৃদ্ধার পাশে অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি রহনপুর পৌরসভা তার চিকিৎসাসহ অন্যান্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।
ওই বৃদ্ধাকে দেখভালের জন্য রহনপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে মালতি বেগম নামের এক নারীকে রাখা হয়েছে। মালতি বেগম বলেন, রাতে পুলিশ গিয়ে আমাকে ওই বৃদ্ধার দেখাশুনার কথা বলে নিয়ে আসে। পরে পৌরসভা আমাকে দায়িত্ব দেয়। ওই রাত থেকে তার পাশে আছি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



