চট্টগ্রামে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১৬৯ জন

প্রতীকী ছবি

জুমবাংলা ডেস্ক: চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে দুই রোগীর মৃত্যু এবং নতুন করে ১৬৯ জন আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার ১৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ। একই সময়ে সুস্থ হয়ে ওঠেন ২৭২ জন।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, নগরীর নয়টি ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে গতকাল বুধবার ১ হাজার ১৭০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন শনাক্ত ১৬৯ জনের মধ্যে শহরের ১১৭ জন এবং নয় উপজেলার ৫২ জন। জেলায় মোট আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ৫৫ হাজার ৪৬৬ জন। সংক্রমিতদের মধ্যে ৪৩ হাজার ৮০৮ জন শহরের ও ১১ হাজার ৬৫৮ জন গ্রামের। উপজেলায় আক্রান্তদের মাঝে হাটহাজারীতে ১১, সীতাকু-ে ১০, রাউজানে ৯, বোয়ালখালীতে ৮, ফটিকছড়ি ও মিরসরাইয়ে ৫ জন করে, বাঁশখালীতে ২ জন এবং পটিয়া ও রাঙ্গুনিয়ায় ১ জন করে রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় শহর ও গ্রামের একজন করে মারা যান। জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা এখন ৬৫০ জন হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫৫ জন শহরের ও ১৯৫ জন গ্রামের। সুস্থ্যতার ছাড়পত্র দেয়া হয় ২৭৩ জনকে। ফলে মোট আরোগ্যলাভকারীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ৪৩৮ জনে উন্নীত হলো। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ৬ হাজার ১৭৯ জন ও বাসায় চিকিৎসায় সুস্থ্য হন ৪১ হাজার ২৫৯ জন। হোম আইসোলেশন বা কোয়ারেন্টাইনে যুক্ত হন ৫০ জন ও ছাড়পত্র নেন ২০ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১ হাজার ১৫০ জন।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৪৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এখানে শহরের ১৩ ও গ্রামের ১৪ জন জীবাণুবাহক চিহ্নিত হন। ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৪২ জনের নমুনায় শহরের ১৭ ও গ্রামের ১০ জনের শরীরে ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে শহরের ১৭ ও গ্রামের ১৮ জন করোনায় আক্রান্ত বলে চিহ্নিত হন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ২৪ জনের নমুনার মধ্যে শহরের ৫ জন পজিটিভ হন। নগরীর বিশেষায়িত কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্র আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে ৩৪টি নমুনা পরীক্ষার জন্য দেয়া হয়। এখানে শহরের ৮টিতে করোনার ভাইরাস পাওয়া যায়।

নগরীর বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির মধ্যে শেভরনে ২৩৯টি নমুনা পরীক্ষা করে শহরের ১৯ ও গ্রামের ৭টি, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৬১টি নমুনায় গ্রামের একটিসহ ১৯টি, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৩৪টি নমুনার মধ্যে গ্রামের একটিসহ ৪টি এবং এপিক হেলথ কেয়ারে ৪৭টি নমুনা পরীক্ষায় গ্রামের একটিসহ ১৮টি করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়।

এদিন চট্টগ্রামের ৮টি নমুনা কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় সবক’টিরই নেগেটিভ রেজাল্ট আসে।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে বিআইটিআইডি’তে ৫ দশমিক ৫৭, সিভাসু’তে ১৯ দশমিক ০১, চবি’তে ৩৬ দশমিক ৪৬, চমেকে ২০ দশমিক ৮৩, আরটিআরএলে ২৩ দশমিক ৫৩, শেভরনে ১০ দশমিক ৮৮, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৩১ দশমিক ১৫, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ১১ দশমিক ৭৬, এপিক হেলথ কেয়ারে ৩৮ দশমিক ৩০ এবং কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে ০ শতাংশ সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়। সূত্র: বাসস


জুমবাংলানিউজ/একেএ