চট্টগ্রামে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১৫৭ জন

প্রতীকী ছবি

জুমবাংলা ডেস্ক: চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন ১৫৭ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। সংক্রমণের হার ১৬ দশমিক ০২ শতাংশ।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদনে দেখা যায়, গতকাল শুক্রবার নগরীর আটটি ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৯৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন শনাক্ত ১৫৭ জনের মধ্যে শহরের ৯১ জন এবং আট উপজেলার ৬৬ জন। উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতে ১৬ জন করে, সীতাকু-ে ৮ জন, রাঙ্গুনিয়া, মিরসরাই ও বাঁশখালীতে ৬ জন করে, রাউজানে ৫ জন এবং বোয়ালখালীতে ৩ জন রয়েছেন। জেলায় মোট সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ৫৫ হাজার ৮৪৫ জনে দাঁড়ালো। এর মধ্যে শহরের ৪৪ হাজার ৩৩ জন ও গ্রামের ১১ হাজার ৮১২ জন।

চট্টগ্রামে গতকাল করোনায় শহরের একজন ও গ্রামের একজন মারা যান। মৃতের সংখ্যা এখন ৬৫৬ জন। এতে শহরের ৪৫৯ জন ও গ্রামের ১৯৭ জন। সুস্থ্যতার ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৪৭ জন। মোট আরোগ্যলাভকারীর সংখ্যা বেড়ে ৪৭ হাজার ৭২৯ জনে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ৬ হাজার ২২৪ জন এবং হোম আইসোলেশেনে থেকে চিকিৎসায় সুস্থ্য হন ৪১ হাজার ৫০৫ জন। হোম আইসোলেশনে নতুন যুক্ত হন ৩০ জন ও ছাড়পত্র নেন ৬১ জন। বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ১ হাজার ১৩৩ জন।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৩১৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস ল্যাবে। এখানে শহরের ১৮ ও গ্রামের ২২টির পজিটিভ রেজাল্ট আসে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৭২টি নমুনার মধ্যে শহরের ২৪ ও গ্রামের ৭টিতে করোনার জীবাণুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১০৮ জনের মধ্যে শহরের ১৪ ও গ্রামের ২২ জন করোনায় আক্রান্ত হিসেবে চিহ্নিত হন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ২৫ জনের নমুনায় গ্রামের একজনসহ ৫ জনের দেহে ভাইরাস থাকার প্রমাণ মিলে।

নগরীর বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরির মধ্যে শেভরনে ১৩১টি নমুনা পরীক্ষা করে গ্রামের ২টিসহ ১০টি, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৬৩টি নমুনার মধ্যে শহরের ৭ ও গ্রামের ৬টি, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৩৯টি নমুনায় শহরের ৮টিতে এবং মেডিকেল সেন্টারে ২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে শহরের ৮টিতে জীবাণুর উপস্থিতি চিহ্নিত হয়। এদিন চট্টগ্রামের ১শ’টি নমুনা কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় ৬টির রেজাল্ট পজিটিভ আসে। এরা সবাই গ্রামের।

নগরীর বিশেষায়িত কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্র আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরি, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বেসরকারি এপিক হেলথ কেয়ারে এদিন কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে বিআইটিআইডি’তে ১২ দশমিক ৫৪শতাংশ, সিভাসু’তে ১৮ দশমিক ০২, চবি’তে ৩৩ দশমিক ৩৩, চমেকে ২০ শতাংশ, শেভরনে ৭ দশমিক ৬৩, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ২০ দশমিক ৬৩, মা ও শিশু হাসপাতালে ২০ দশমিক ৫১, মেডিকেল সেন্টারে ৩৪ দশমিক ৭৮ এবং কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ৬ শতাংশ সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়। সূত্র: বাসস


জুমবাংলানিউজ/একেএ