in , ,

করোনায় চট্টগ্রামে সর্বনিম্ন আক্রান্তের রেকর্ড

প্রতীকী ছবি

জুমবাংলা ডেস্ক: চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণের সর্বনি¤œ আক্রান্তের রেকর্ড  হয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। সংক্রমণের হার ০ দশমিক ১২০ শতাংশ। এ সময় গ্রামের এক রোগির মৃত্যু হয়।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের করোনা সংক্রান্ত আজকের রিপোর্টে এ সব তথ্য জানা যায়।

এর আগে, সর্বনিম্ন আক্রান্তের হার ছিল ০ দশমিক ১২৫ শতাংশ। এ দিন ১৬শ’ নমুনা পরীক্ষা করলে শহরের ২ জনের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। তবে গ্রামের দুই করোনা রোগির মৃত্যু হয়। ৭ নভেম্বর করোনায় মৃত্যুশূন্য চট্টগ্রামে নতুন ২ রোগি শনাক্ত হয়। সংক্রমণের হার ছিল ০ দশমিক ১৫ শতাংশ।

রিপোর্টে জানা যায়, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি, এন্টিজেন টেস্ট ও নগরীর নয় ল্যাবে গতকাল বৃহস্পতিবার ১ হাজার ৬৫৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নতুন ২ জন পজিটিভ পাওয়া যায়। এর মধ্যে শহরের ১ ও পটিয়া উপজেলার ১ জন। জেলায় করোনায় মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ১ লাখ ২ হাজার ২৯১ জন। আক্রান্তের মধ্যে শহরের ৭৪ হাজার ১০ ও গ্রামের ২৮ হাজার ২৮১ জন।

করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে গতকাল গ্রামের এক রোগির মৃত্যু হয়। মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখন ১ হাজার ৩২৬ জন হয়েছে। এতে শহরের ৭২৩ ও গ্রামের ৬০৩ জন।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি শেভরনে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৪৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এখানে একজন জীবাণুবাহকও পাওয়া যায়নি। ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ২৯১টি নমুনার মধ্যে একটি পজিটিভ শনাক্ত হয়। নমুনা সংগ্রহের বিভিন্ন বুথে ২২ জনের এন্টিজেন টেস্ট করা হলে শহরের একজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে।

এদিকে, ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস ল্যাবে ২৫১, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ল্যাবে ৭৭, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ২, নগরীর বিশেষায়িত কভিড-১৯ চিকিৎসা কেন্দ্র আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএল-এ ৪, বেসরকারি ল্যাবরেটরি ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ২৯১, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে ৪১৮, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ল্যাবে ২৫, এপিক হেলথ কেয়ার হাসপাতাল ল্যাবে ১৮ এবং মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নয় পরীক্ষা কেন্দ্রের ১ হাজার ৮৮ নমুনার সবগুলোরই নেগেটিভ আসে।

তবে এদিন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ও ল্যাব এইডে কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি। চট্টগ্রামের একটি নমুনাও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে পাঠানো হয়নি।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে, এন্টিজেন টেস্টে ৪ দশমিক ৫৪ এবং ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ০ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং বিআইটিআইডি, চমেকহা, চবি, আরটিআরএল, শেভরন, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল, এপিক হেলথ কেয়ার এবং মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ০ শতাংশ সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়। সূত্র: বাসস