‘রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা থেকে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা পিছিয়ে রয়েছে। ঘাটতি মেটাতে সরকার এখন ব্যাংক ঋণের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে করের আওতা বাড়ানো বা রাজস্ব বৃদ্ধিতে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, তা অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চাই।’

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘ঋণের এই বিশাল অঙ্ক মূলত বিগত সরকারের রেখে যাওয়া দায়ের ধারাবাহিকতা বা ‘ক্যারিওভার’।
বর্তমান সরকার মাত্র দুই মাস হলো দায়িত্ব নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই ঋণের অঙ্ককে বর্তমান সরকারের কর্মফল হিসেবে দেখা ঠিক হবে না।’
অর্থমন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘সরকারের মূল অর্থনৈতিক নীতিই হলো স্থানীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা। এর প্রতিফলন আগামী বাজেট থেকেই দেখা যাবে।’
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। বিগত সরকারগুলোর আমলে এই অনুপাত নিচে নেমে এলেও বর্তমান সরকার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অর্থনীতিকে পুনরায় শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে।’
আরও পড়ুনঃ
বর্তমানে বিদেশি ঋণের পরিমাণ কত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮ হাজার ৬৭ লাখ ২০ হাজার (৭৮০৬৭.২০) মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


