জুমবাংলা ডেস্ক : বিতর্কিত মন্তব্য আর অসৌজন্যমূলক বক্তব্যের জেরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ হারিয়ে কানাডার উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছেন ডা. মুরাদ হাসান।

বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) রাত ১১ টা ২০ মিনিটের দিকে এমিরেটস এয়ারলাইনের ফ্লাইটে করে তিনি দেশ ছাড়েন। এর আগে রাত পৌনে ৯টার দিকে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছান ডা. মুরাদ।
জানা গেছে, রাত ১১টা ২০মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের বিকে ৫৮৫৮ নম্বর ফ্লাইটে ঢাকা থেকে কানাডার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। মুরাদ হাসান দুবাই হয়ে কানাডার টরন্টোয় পৌঁছবেন। তিনি আগে থেকেই টিকিট বুকিং করে রেখেছিলেন।
এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ডা. মুরাদের দেশত্যাগে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা নেই। এছাড়া তার নামে কোন মামলাও নেই। তিনি চাইলেই দেশত্যাগ করতে পারেন।
ডা. মুরাদ হাসানের বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এগুলো আমার জানা নেই। উনি (ডা. মুরাদ) বিদেশে যাবেন না দেশে থাকবেন, এটা উনার ব্যাপার। এ ব্যাপারে আমাদের কিছু বলার নেই।
জানা গেছে, গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার মধ্যেই চট্টগ্রামে চলে যান ডা. মুরাদ। নারীর প্রতি শিষ্টাচারবহির্ভূত অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ায় তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর মঙ্গলবার বিকেলে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। এর পর থেকেই সপরিবারে বাইরের দেশের চেষ্টা শুরু করেন। পরে চূড়ান্তভাবে কানাডা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ডা. মুরাদ।
সম্প্রতি ডা. মুরাদ হাসান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ার একটি সাক্ষাৎকারে অসৌজন্যমূলক কথা বলেন।
এরপরই সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুরাদের একটি কথোপকথন ফাঁস হয়, যেখানে তিনি অশ্লীল ভাষায় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলে ডা. মুরাদের শাস্তির দাবি ওঠে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


