in , ,

কীভাবে ভোট দিতে নিবন্ধন করবেন?

কিভাবে ভোট দিতে নিবন্ধন করবেন?

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করার পদ্ধতি

বিস্তারিত

কিভাবে ভোট দিতে নিবন্ধন করবেন? কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্রটি আপনার জরুরি দরকার। জেনে নিন কিভাবে ভোটার রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করবেন:

কিভাবে ভোট দিতে নিবন্ধন করবেন?***বাংলাদেশে যিনি জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন:

১. উক্ত ব্যক্তিকে বাংলাদেশী হতে হবে।

২. ১৮ (আঠারো) বছর বয়স হতে হবে।

৩. বাংলাদেশের কোন কোর্ট অসুস্থ  মষ্তিক বা পাগল বলে ঘোষনা করেনি অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তিকে সুস্থ মষ্তিকের হতে হবে।

৪. নির্দিষ্ট কোন ভোটার এলাকায় নিয়মিত বসবাস করেন।

***জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করার পদ্ধতি:

১. উপরে উল্লেখিত ব্যক্তি ফরম-২(ডাউনলোড করুন) পুরণ করে জেলা ইলেকশন অফিসার বরাবর আবেদন করবেন।

২. আরো যেসব কাগজপত্র সাথে নিতে হবে:

– নাগরিক সনদপত্র (ইউনিয়ন পরিষদ/ সিটি করপোরেশান কমিশনার  কর্তৃক প্রদানকৃত)

– খাজনা রশিদ বা বাড়ি ভাড়ার রশিদ বা বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানির বিলের কাগজ

– জন্ম নিবন্ধন সনদ বা এস.এস. সি পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি যা বয়স প্রমাণ করে।

এছাড়া বাবা/মা/স্বামী/স্ত্রী-এর জাতীয় পরিচয়পত্র এবং টিন (TIN-Tax Identification Number) সার্টিফিকেট সঙ্গে নিতে পারেন।

***মেয়াদ  : জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ ১৫ বছর পর্যন্ত। মেয়াদ শেষষ হওয়ার ছয় মাস আগেই নতুন জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য জেলা ইলেকশন অফিসার বরাবর আবেদন করতে হবে।

***ফিস্ :   জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহের জন্য এখন পর্যন্ত কোন ফি নির্ধারিত হয়নি।

***অফিস ঠিকানা  :

ন্যাশনাল আইডি উইং [ National ID Wing (NIDW) ]

ইসলামিক ফাউনডেশন ভবন [Islamic Foundation Bhaban (6th– 9th Floor)]

আগারগাঁও, ঢাকা, বাংলাদেশ।

কীভাবে ভোট দিতে নিবন্ধন করবেন? এ প্রশ্নের জবাব আশা করি আপনারা পেয়ে গেছেন।

কিভাবে ভোট দিতে নিবন্ধন করবেন?আরও পড়ুন-

কোলেস্টেরল কীভাবে কমানো যায়

ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের কাজ কী

ভোটের দিনে ভোটকেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ করা প্রিজাইডিং অফিসারের নেতৃত্বে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা।

ভোটের দিন তারা কী দায়িত্ব পালন করবেন, তা জানাতে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া ভোটের আগে প্রকাশিত নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়ালেও তাদের দায়িত্ব নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপত্র পাওয়ার পরপরই প্রিজাইডিং অফিসারকে তার সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারদের সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করতে হবে। ‍সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোটগ্রহণের জন্য সে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার তা তিনি যথাসময়ে গ্রহণ করবেন।

প্রিজাইডিং অফিসার তার সহকর্মীদের নিয়ে আগের রাতেই ভোটকেন্দ্রে ‍পুলিশসহ অবস্থান করবেন। রাতে অবস্থানকালে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তার এজেন্ট কিংবা সমর্থকদের কাছ থেকে খাবার বা কোনো সুযোগ-সুবিধা নেওয়া যাবে না। এ ধরনের সুবিধা নেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ।

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনো প্রার্থী যাতে নির্বাচনী ক্যাম্প স্থাপন এবং নির্বাচনী প্রচারণামূলক কোনো তৎপরতা চালাতে না পারেন, তা প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নিশ্চিত করবেন।

প্রিজাইডিং অফিসার তার সহকর্মী ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে ভোটকক্ষের সাজসজ্জার ব্যবস্থা করবেন। গোপন বুথ এমনভাবে নির্মাণ করতে হবে, যাতে কোনো ভোটার ভোট কাকে ভোট দিলেন সেটা দেখা না যায়।

ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই প্রিজাইডিং অফিসারকে পোলিং এজেন্টদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।

ভোটগ্রহণ শুরুর কমপক্ষে আধঘন্টা আগে উপস্থিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী/নির্বাচনী এজেন্ট/পোলিং এজেন্টদের দেখাতে হবে যে ব্যালট বাক্সটি খালি আছে।

এরপর তা সবার সামনে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সিলগালা করে নির্ধারিত স্থানে রাখা হবে। প্রিজাইডিং অফিসার কতগুলো ব্যালট পেপার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে নিয়েছেন, তাও উপস্থিত সবাইকে দেখাতে হবে।

ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সব নির্বাচনী কর্মকর্তা প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশ অনুসারে যাবতীয় কার্য সম্পাদন করবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশ মেনে চলবেন।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মঙ্গলবার ভোট দিচ্ছেন এক ভোটার। ছবি:মোস্তাফিজুর রহমানখুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মঙ্গলবার ভোট দিচ্ছেন এক ভোটার। ছবি:মোস্তাফিজুর রহমাননির্ধারিত সময়ের মধ্য যদি ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত হয় এবং তা যদি পুনরায় শুরু করা সম্ভব না হয় অথবা ব্যালট পেপারসহ স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স যদি ছিনতাই হয়ে যায় অথবা হারিয়ে যায় অথবা কেউ যদি নষ্ট করে ফেলে- তাহলে প্রিজাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ বন্ধ করতে পারবেন। সঙ্গে সঙ্গে তা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা বা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।
ভোটকেন্দ্রে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে প্রিজাইডিং অফিসার তাকে কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করতে পারবেন।

ভোটকেন্দ্রে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়োজিত পুলিশ বা অন্য কাউকে তিনি নির্দেশনা দিতে পারবেন।

ভোটগ্রহণ কাজ শেষ হওয়ার পর প্রিজাইডিং অফিসার ভোটকেন্দ্রেই ভোট গণনার কাজটি করবেন। কোনো অবস্থাতেই ভোটকেন্দ্রের বাইরে অন্য কোথাও গণনার কাজ করা চলবে না।

প্রিজাইডিং অফিসার প্রয়োজন মনে করলে স্ব-উদ্যোগে কিংবা উপস্থিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনী এজেন্টের অনুরোধে ফলাফল পুনঃগণনা করতে পারবেন।

ভোটগণনা শেষ হওয়ার পর প্রিজাইডিং অফিসার উপস্থিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট অথবা পোলিং এজেন্টদেরকে ভোটগণনার বিবরণীর সত্যায়িত কপি দেবেন।

প্রত্যেক বিবরণী, প্যাকেট ও অন্যান্য নথিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অথবা নির্বাচনী এজেন্ট অথবা পোলিং এজেন্টদের সই নিতে হবে।

গণনার বিবরণী অবশ্যই ভোটকেন্দ্রের দর্শনীয় স্থানে টানিয়ে দিতে হবে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের।

কেন্দ্রে কেন্দ্রে গণনা শেষে প্রিজাইডিং অফিসাররা লিখিত ফলাফল রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠাবেন। রিটার্নিং অফিসাররা তা ইসিতে পাঠাবেন।

ঢাকায় নির্বাচন ভবনের ফোয়ারা প্রাঙ্গণে বিশেষ মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে।