
সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটিতে এক পর্যায়ে হারের শঙ্কায় পড়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ক্রিজে যে ছিলেন সাকিব, তিনি কোনো অঘটন ঘটতে দেননি। অভিজ্ঞতায় পরিপূর্ণ এই ক্রিকেটার স্নায়ুচাপ সামলে দলের জয় নিশ্চিত করে তবেই মাঠ ছাড়েন। সাকিব অপরাজিত থাকেন ৯৬ রানে। সেঞ্চুরি না পেলেও এই ইনিংস খেলার পথে আরেকটি রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
তিন সংস্করণ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করেছেন সাকিব। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ শেষে সাকিবের মোট রান এখন ১২ হাজার ৭০। ৩৪৮ ম্যাচের ৩৮৫তম ইনিংসে এই রেকর্ড গড়লেন সাকিব। ব্যাটিং গড় ৩৫.৬০। নামের পাশে আছে ৮৩টি অর্ধশতক ও ১৪টি শতক। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে রান যথাক্রমে ৩৯৩৩, ৬৫৭০ ও ১৫৬৭।
বাংলাদেশের পক্ষে ১২ হাজারি ক্লাবে সাকিব ছাড়াও আছেন তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। ৩৫৬ ম্যাচের ৪১৩ ইনিংসে তামিমের রান ১৪ হাজার ৪৩। মুশফিক ৩৮৮ ম্যাচের ৪২৮ ইনিংসে করেছেন ১২ হাজার ৫৫৯ রান।
সাকিব ১২ হাজারি ক্লাবে নতুন হলেও সব সংস্করণ মিলিয়ে ৫০০ উইকেট শিকারের রেকর্ড আগেই স্পর্শ করেছিলেন। এবার ১২ হাজার রান পূর্ণ করে ঢুকলেন আরেকটি রেকর্ডবুকে, যেখানে আগে থেকে ছিলেন কেবলই জ্যাক ক্যালিস। এতদিন একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২ হাজার রান ও ৫০০ উইকেটের মালিক ছিলেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে। দ্রুততম ক্রিকেটার হিসেবে সেই এলিট ক্লাবে প্রবেশ করেছেন সাকিব।
১২ হাজার রান ও সেই সাথে ৫০০ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়তে সাকিব খেলেছেন ৩৪৮টি ম্যাচ। অপরদিকে, এই রেকর্ড গড়তে ক্যালিস খেলেছিলেন ৪২০টি ম্যাচ। অর্থাৎ ক্যালিসের থেকে ৭২টি ম্যাচ কম খেলেই মাত্র দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই ক্লাবে প্রবেশ করলেন বাংলাদেশের সাকিব।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



