ছক্কার হাঁকানোর রেকর্ড ক্রিস গেইলের নামের পাশে। ক্রিকেট বিশ্বের জন্য খুব স্বাভাবিক এক ঘটনা। বিশ্বব্যাপী সব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চষে বেড়িয়েছিলেন। নামের পাশে ছিল দুই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি। ব্যাট হাতে ক্রিস গেইলের আগুনে বোলিংয়ে ছারখার হয়েছে প্রতিপক্ষ। এমন দৃশ্য গত দেড় দশকে ছিল নিয়মিত দৃশ্য।

ক্রিস গেইলের

Advertisement

এক ক্যালেন্ডার ইয়ারে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ডটাও এতদিন গেইলের নামেই শোভা পাচ্ছিল। এবার সেটা হাতছাড়া হলো। গেইলেরই স্বদেশী ও সতীর্থ নিকোলাস পুরান কেড়ে নিলেন ৯ বছর আগের সেই বিশ্বরেকর্ড। ২০২৪ সাল শেষ হতে আরও ৪ মাস বাকি থাকলেও এখনই এই ক্যালেন্ডার ইয়ারে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ছক্কার বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন নিকোলাস পুরান।

২৮ বছর বয়সী এই ক্যারিবীয় বাঁহাতি সিপিএলে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের হয়ে ৯ ছক্কা মেরে ক্রিস গেইলের ৯ বছরের পুরোনো বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ও ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে মোট ১৩৫টি ছক্কা মেরেছিলেন গেইল। ত্রিনবাগোর হয়ে খেলতে নামার আগে পুরানের ছক্কা ছিল ১৩০টি। ৯ ছক্কায় সংখ্যাটা নিয়ে গেলেন ১৩৯ পর্যন্ত।

ক্রিস গেইল তার পুরো ক্যারিয়ারে ১ বছরে ১০০ ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন মোট ৬ বার। এই কীর্তি আর আছে কেবল আন্দ্রে রাসেলের এবং নিকোলাস পুরানের। আর প্রথমবার ১০০ ছক্কা পেরুনোর বছরেই বিশ্ব রেকর্ড নিজের করে নিলেন পুরান। গেইলকে ১৩৫ ছক্কার জন্য ৩৬ ইনিংস খেলতে হলেও তাঁকে ছাড়িয়ে যেতে পুরানের লেগেছে ৫৭ ইনিংস।

‘টাইমড আউটের’ স্মৃতি স্মরণ করালেন সাকিব

চলতি বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দল ছাড়াও মোট ৭ দলের জার্সিতে টি-টোয়েন্টি খেলেছেন নিকোলাস পুরান। নিজ দেশের ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে খেলছেন ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের হয়ে। এছাড়া ডারবান সুপার জায়ান্টস, লখনৌ সুপার জায়ান্টস, এমআই এমিরেটস, এমআই নিউইয়র্ক, নর্দার্ন সুপারচার্জারস এবং রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন পুরান।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Md Elias is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency across digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and reader-focused reporting.