
শুক্রবার (৪ জুন) রাতে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসার চর এলাকায় প্রবাসীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই এনজিও কর্মীকে গণপিটুনি দেয় এলাকাবাসী।
শনিবার (৫ জুন) এ বিষয় নিয়ে মীমাংসা করার জন্য দফায় দফায় বৈঠক হয়। মীমাংসায় মাতবররা বিভিন্ন অপরাধ দিয়ে দুই বাচ্চার জননীকে কাজী দিয়ে তালাক ব্যবস্থা করে এলাকা ছাড়ার ঘোষণা দেন। ঘোষণার পর পরই প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেন তার শ্বশুর-শাশুড়ি। মীমাংসা শেষে এনজিও কর্মী আনোয়ারকে ছেড়ে দেয়া হয়।
অভিযুক্ত আনোয়ার, ভুঞাপুর উপজেলার নিকরাইল বাসিন্দা।
দাইন্যা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বাবুল মণ্ডল বলেন, অনৈতিক অবস্থায় ওই নারী ধরা পরায় তাকে এলাকাবাসী নানাভাবে নাজেহাল করতে থাকে। এ সময় তাকে ন্যাড়া করার সিদ্ধান্ত নেয়। আমি থানা পুলিশদের অবহিত করি। পুলিশ ঘটনাস্থলে না আসায় পরিস্থিতি খারাপ হয়। পরে সকলের সম্মতিতে এলাকাবাসী মীমাংসা করার জন্য বসে। মীমাংসায় ওই নারীর সম্মতিক্রমে তালাক নামায় স্বাক্ষর নেয়া হয়। তারপর তাকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
এ বিষয়ে দাইন্যা ইউনিয়নের এসএসএসের এনজিও শাখা ব্যবস্থাপক মাহবুব হোসেন বলেন, আনোয়ার বাসায় যাওয়ার কথা বলে ছুটি নেয়। সে যে অপরাধ করেছে এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়। এতে আমাদের কিছুই করার নেই।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


