in , ,

চট্টগ্রামে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ৫৪ জন

প্রতীকী ছবি

জুমবাংলা ডেস্ক: চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৫৪ জনের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। সংক্রমণের হার ৩ দশমিক ২৭ শতাংশ। এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত ২ জনের মৃত্যু হয়।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পাঠানো চট্টগ্রামের করোনা সংক্রান্ত হালনাগাদ পরিস্থিতি নিয়ে আজকের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।

রিপোর্টে বলা হয়, এন্টিজেন টেস্ট, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ও নগরীর দশ ল্যাবে গতকাল বুধবার চট্টগ্রামের ১ হাজার ৬৫০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন শনাক্ত ৫৪ জনের মধ্যে শহরের বাসিন্দা ৩৩ জন ও চার উপজেলার ২১ জন। উপজেলায় আক্রান্তদের মধ্যে রাউজান ও হাটহাজারীতে ৯ জন করে, মিরসরাইয়ে ২ জন এবং চন্দনাইশে ১ জন করে রয়েছেন। জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মোট শনাক্ত ব্যক্তির সংখ্যা এখন ১ লাখ ১ হাজার ৪৯০ জন। এর মধ্যে শহরের বাসিন্দা ৭৩ হাজার ৫১৮ জন ও গ্রামের ২৭ হাজার ৯৭২ জন।

গতকাল করোনায় গ্রামের দুই বাসিন্দার মৃত্যু হয়। মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখন ১ হাজার ২৮৬ জন। এতে শহরের ৭০৮ জন ও গ্রামের ৫৭৮ জন। করোনামুক্ত হয়েছেন নতুন ৭২ জন। ফলে মোট আরোগ্য লাভকারীর সংখ্যা ৮৬ হাজার ৪১৯ জনে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১০ হাজার ৪৯৬ জন এবং হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসায় সুস্থ হন ৭৫ হাজার ৯২৩ জন। হোম কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনে গতকাল যুক্ত হন ১২১ জন এবং ছাড়পত্র নেন ৫৮ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১ হাজার ৫২৪ জন।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্টে দেখা যায়, গতকাল সবচেয়ে বেশি ৫৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয় ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে। এখানে শহরের ৯ জনের রেজাল্ট পজিটিভ আসে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ১৮১ জনের নমুনার মধ্যে শহরের ৪ জন করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হন। ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৭২ টি নমুনায় শহরের ১ ও গ্রামের ৮ টিতে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব মিলে। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে শহরের ৪ ও গ্রামের ৯ জন জীবাণুবাহক পাওয়া যায়। নমুনা সংগ্রহের বিভিন্ন কেন্দ্রে ৫২ জনের এন্টিজেন টেস্ট করা হলে শহরের ৩ ও গ্রামের একজন আক্রান্ত বলে জানানো হয়। আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের আরটিআরএলে পরীক্ষিত ১৫ নমুনার মধ্যে শহরের ৩ টিতে ভাইরাসের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।

বেসরকারি ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি শেভরনে ৪০৪ টি নমুনা পরীক্ষা করলে শহরের ২ ও গ্রামে ১টি, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৬৬ নমুনায় শহরের ২টি, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৪২ টি নমুনার মধ্যে শহরের ২ ও গ্রামের ১ টি, এপিক হেলথ কেয়ারে ৩৫ নমুনা পরীক্ষায় শহরের ৩ ও গ্রামের ১ টিতে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। মেডিকেল সেন্টারে ১৫ ও ল্যাব এইডে ৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করলে একটির রিপোর্টও পজিটিভ আসেনি। এদিন চট্টগ্রামের ৮ জনের নমুনা কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় সবক’টির রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে সংক্রমণ হার পাওয়া যায়, বিআইটিআইডি’তে ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ, চমেকে ২ দশমিক ২১, সিভাসু’তে ৫ দশমিক ২৩, চবিতে ১৪ দশমিক ৭৭, এন্টিজেন টেস্টে ৭ দশমিক ৬৯, আরটিআরএলে ২০ শতাংশ, শেভরনে ০ দশশিক ৭৪, ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৩ দশমিক ০৩, মা ও শিশু হাসপাতালে ৭ দশমিক ১৪, এপিক হেলথ কেয়ারে ১১ দশমিক ৪৩, মেডিকেল সেন্টার, ল্যাব এইড ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ০ শতাংশ। সূত্র: বাসস