আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অন্যান্য দিনের মতোই ট্রেন এসে দাঁড়িয়ে ছিল পুরুলিয়া স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে। অনেক ভিড় ছিল স্টেশনে। সঠিক সময়ে জন্য নির্দিষ্ট কামরায় উঠতে পারেননি যাত্রী মানসী দেবী। তিনি পুরুলিয়া স্টেশনের ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এসে পৌঁছাতেই ট্রেন চলতে শুরু করে দেয়। তাই তাড়াতাড়ি করেই সবার মতো তিনিও ট্রেনে দৌড়ে উঠতে শুরু করেন। আর সেখানেই হয় বিপদ। এ ঘটনা শনিবার ভারতের পুরুলিয়া স্টেশনের।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ট্রেনে দৌড়ে উঠতে গিয়েই মানসী দেবী ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝে পড়ে যান। এরই মধ্যে দেখা গেল একজন আর পি এফ কর্মী দৌড়ে এগিয়ে এসেছেন। নিজের জীবন বাজি রেখে টেনে তুলে আনলেন মানসী দেবীকে।
পুরুলিয়া স্টেশনের এই চিৎকার চেঁচামেচি দেখে ট্রেন থামিয়ে দেন চালকও। উদ্ধার করে আনা হয় মানসী দেবীকে।
দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে খবর, দেরির ফলে মানসী যেভাবে ট্রেনে উঠতে গিয়েছিলেন তাতে নিজের শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরেই প্ল্যাটফর্ম ও কামরার মধ্যে যে ফাঁক থাকে তার মাঝে পড়ে যান মানসী দেবী। ওখানে কর্তব্যরত দুই আর পি এফ কর্মী মনোজ কুমার এবং আর সি দাসের নজরে আসে বিষয়টি। তড়িঘড়ি ছুটে গিয়ে প্রাণ বাঁচান রেল যাত্রীর।
অনেকদিন ধরেই যাত্রীরা অভিযোগ করে আসছেন ট্রেন এবং প্ল্যাটফর্মের মধ্যে দুরত্ব চওড়া হচ্ছে। তার জেরে বয়স্ক যাত্রীদের ওঠা নামার জন্য বেশ অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে দুর্ঘটনা ঘটে যাচ্ছে।
তবে রেলের দাবি, জোর করে চলন্ত ট্রেনে উঠতে যাবেন না। রেল যথাযথ নিয়ম মেনেই অপেক্ষা করে। চলন্ত ট্রেনে উঠবেন না। তাতে বিপদ বাড়তে পারে। দুই আর পি এফ কনস্টেবলের কাজের প্রশংসা করছেন বাকি যাত্রীরা। যথা সময়ে তাদের নজরে এসেছিল বলে মানসীদেবীকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


