আন্তর্জাতিক

চীন থেকে সাড়ে ৬ লাখের বেশি গাড়ি তুলে নেবে মার্সিডিজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীন থেকে প্রায় সাড়ে ছয় লাখের মতো গাড়ি তুলে নিচ্ছে জার্মানির বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মার্সিডিজ-বেঞ্জ। চলতি বছরের শেষের দিকে গাড়িগুলো তুলে নেয়া হবে চীন থেকে। মূলত তেল লিক হওয়ার কারণেই গাড়িগুলোকে ফিরিয়ে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া।

প্রতিবেদন বলা হয়েছে, মার্সিডিজের বেশ কিছু মডেলে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।

মার্সিডিজ জানিয়েছে, গাড়ির হাই প্রেসার ফুয়েল পাম্প এবং লো প্রেসার ফুয়েল পাম্পের মধ্যে কোনো একটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। সেই কারণে লো প্রেসার ফুয়েল পাম্প ঠিকমতো কাজ করছে না। আর এ কারণেই ফুয়েল পাম্প থেকে তেল লিক হয়ে যাচ্ছে।


চালক কিংবা মালিকের অজান্তেই এই ঘটনা ঘটছে। আর এই ঘটনা ঘটছে শুধু শীতকালে। শীতকালে ইঞ্জিন স্টার্ট করার সময়েই ঘটছে তেল লিক করার মতো ঘটনা। তাই এ সমস্যা সমাধান করতেই গাড়িগুলো ফিরিয়ে নিচ্ছে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।

সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের অধিকাংশ গাড়ি তৈরি হয়েছে বেইজিং বেঞ্জ অটোমোটিভ কোম্পানিতে। যেখানে প্রায় ১২ হাজার ৫ শত গাড়ি তৈরি করা হয়েছিল। এছাড়াও ৩৬ হাজার গাড়ি বাইরে থেকে আমদানি করা হয়। জানা যায়, যাদের কাছ থেকে গাড়িগুলো আমদানি করা হয়েছিল তারা এই সমস্যাজনিত গাড়ির যন্ত্রাংশগুলো বিনামূল্যে পরিবর্তন করে দেবে।

ইতোমধ্যে গত মাসে অর্থাৎ জুনেই বেশ কয়েকটি গাড়ি ফেরত পাঠানো হয়েছে। যেই গাড়িগুলো তৈরি করা হয়েছিল ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের জুনের মধ্যে।

সিনহুয়া বলছে, গাড়ির লিকেজ সমস্যার সমাধান করতে চীন থেকে মোট ৬ লাখ ৬৮ হাজার ৯৫৪টি গাড়ি ফিরিয়ে নিতে যাচ্ছে মার্সিডিজ। চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে এ ফিরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু হবে।


যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : http://bit.ly/2FQWuTP


আরও পড়ুন

স্কুলগুলো নিরাপদে চালু করতে হাত ধোয়ার সুবিধা থাকা অবশ্যক : ডব্লিউএইচও

azad

ভাই-ভাতিজাদের মধ্যে মন্ত্রণালয় বন্টন করলেন শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট

mdhmajor

৫০ কোটি ডলার জরিমানা গুনতে হবে অ্যাপলকে!

Mohammad Al Amin

জীবিকা সংকটে বিদেশফেরত ৭০ শতাংশ বাংলাদেশি

mdhmajor

বাংলাদেশে চীনা ভ্যাকসিনের পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামী সপ্তাহে

mdhmajor

প্রণব মুখার্জির অবস্থা আরও সংকটাপন্ন

Sabina Sami