জুমবাংলা ডেস্ক : ২০১৭ সালের ২০ জুলাই রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত সরকারি কলেজের পরীক্ষার দাবিতে সহপাঠীদের সঙ্গে আন্দোলনে যান সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্র সিদ্দিক।

চোখ হারিয়ে গেলেও মনের আলো হারিয়ে যায়নি তরুণ সিদ্দিকের। আগের মতো এখনও আত্মবিশ্বাস রয়েছে। ইচ্ছা আছে ভবিষ্যতে শিক্ষকতা করার। অর্নাস চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এখন তিনি মার্স্টাসে ভর্তি হবেন। ইতোমধ্যে কম্পিউটার ও ব্রেইল প্রশিক্ষণ কোর্স শেষ করেছেন। নিজ যোগ্যতায় হতে চান দেশের সর্বোচ্চ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) ক্যাডার। একজন আদর্শ শিক্ষক হয়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখতে চান সিদ্দিকুর রহমান। ফাস্ট ক্লাস পাওয়ার পর আবেগাপ্লুত হয়ে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।
বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানির টেলিফোন অপারেটর পদে চাকরি করছেন সিদ্দিক।
জীবনে যা ঘটে গেছে তা নিয়ে আর ভাবতে চান না সিদ্দিক। ২০১৭ সালকেই ভুলে যেতে চান তিনি। ২০ জুলাইয়ের কথা মনে করতে চান না। বিভীষিকাময় ওইদিনটি সিদ্দিকের কাছে বিষাদের। চোখের জ্যোতি নিভিয়ে যাওয়া সিদ্দিকুর রহমানের এখন একটাই চাওয়া পুরো সেশনজটমুক্ত হোক ঢাবির অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজ। গ্রাম থেকে আসা শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণ হোক।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



