
ছাত্রলীগ নেতা রুহুল আমিন বলেন, আমার বয়স যখন মাত্র ১৫-১৬ বছর। পারিবারিকভাবেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগের রাজনীতি ও গুরুত্বপূর্ণ নানা দায়িত্ব পালন করে আসছি। হঠাৎ করেই একটি প্রতিপক্ষ নজরুল ইসলামের ছেলে ছাত্রদল নেতা রুহুল আমিনের সব কাগজপত্র তার বলে কেন্দ্রে পাঠানোর পর গত মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত পত্রে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ছাত্রলীগ নেতা রুহুল আমিন এর প্রতিকার চেয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি আবেদনও করেছেন বলে জানান।
এদিকে ছাত্রলীগ নেতা রুহুল আমিনের কথা উল্লেখ করে গাজীপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদ হাসান বলেন, রুহুল আমার বাল্যবন্ধু। আমরা এক সঙ্গেই ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেছিলাম। রুহুল কখনও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়নি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা শিকার হয়ে আজ তাকে এই পরিণতি বরণ করতে হয়েছে। গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ছাত্রদল নেতা রুহুল আমিনের নামে সঙ্গে মিল থাকায় ছাত্রলীগ নেতা রুহুল আমিনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। রুহুল আমিন ছাত্রলীগের একজন ত্যাগী নেতা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



