
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ মনে করেন যে এখন বাংলাদেশে করোনার ‘পিক সিজন’ শুরু হয়েছে। এখনই ছুটি বাড়ানো প্রয়োজন।
তবে সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, সরকার ছুটি বাড়ানোর ব্যাপারে সরকার এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। সরকার আগামী দুইদিন করোনার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। এই দুইদিনে কি পরিমাণ পরীক্ষা এবং কি পরিমাণ করোনা রোগী শনাক্ত হয়, সেই বিষয়টি বিশ্লেষণ করে তবেই সরকার ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে আসবে।
সরকারের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেছেন, আগামী ১৪ তারিখ পর্যন্ত যেন মানুষ অকারণে ঘর থেকে বের না হয় তা নিশ্চি শুক্রবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব ড. আহমেদ কায়কাউস একটি নির্দেশনা জারি করেছেন যে কারা এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবেন।
সামগ্রিক বিষয়ে আগামী রোববার সরকারের নীতিনির্ধারকেরা বসবেন এবং সেদিনই ছুটি আরও বাড়বে কিনা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, দেশব্যাপী চলমান গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্তই বহাল রয়েছে। পণ্য পরিবহন, জরুরি সেবা, জ্বালানি, ওষুধ, পচনশীল ও ত্রাণবাহী পরিবহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
গত শনিবার (৪ এপ্রিল) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছে, পণ্যবাহী যানবাহনে কোনো ধরনের যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। এর আগে, করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারা দেশে গণপরিবহন বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছুটি ১১ এপ্রিলের পরিবর্তে ১৪ এপ্রিল করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এ ছুটির আওতাভুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুক চৌধুরী।
মাউশির মহাপরিচালক সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সাধারণ ছুটি বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১১ এপ্রিলের পরিবর্তে এটি ১৪ এপ্রিল করা হয়েছে। এ ছুটির আওতায় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানো হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



