আন্তর্জাতিক জাতীয় স্লাইডার

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের ‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজুলেশন গৃহীত

জুমবাংলা ডেস্ক: প্রতি বছরের মতো এবারও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ উত্থাপিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজুলেশন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। খবর ইউএনবি’র।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের পক্ষে রেজুলেশনটি উপস্থাপন করেন এবং বিশ্বব্যাপী শান্তির সংস্কৃতিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য জাতিসংঘের সব সদস্য রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি আহ্বান জানান।

‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের ক্ষমতায়ন ও শান্তির সংস্কৃতির ধারক ও বাহক,’ বলেন তিনি।

শেখ হাসিনার প্রথমবারের সরকারের সময় ১৯৯৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সর্বসম্মতিক্রমে রেজুলেশন ৫৩/২৪৩ অর্থাৎ শান্তির সংস্কৃতি রেজুলেশনটি গ্রহণ করে। সেই থেকে শুরু করে প্রতিবছর বাংলাদেশ এ রেজুলেশনটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করে আসছে এবং তা প্রতিবছরই সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হচ্ছে বলে শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং তার রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ এর আলোকে ‘জন-কেন্দ্রিক উন্নয়ন কৌশল’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।


এ বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শান্তির সংস্কৃতি রেজুলেশনের ২০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, ‘এটি টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা-২০৩০ এর পূর্ণ ও কার্যকর বাস্তবায়নার্থে শান্তির সংস্কৃতির প্রয়োজনীয়তাকেই স্বীকৃতি দিয়েছে। শান্তির সংস্কৃতি এমনই একটি ব্যাপক-ভিত্তিক ধারণা যা এজেন্ডা-২০৩০ বাস্তবায়ন পরবর্তী সময়েও শান্তির বার্তাকে শক্তিশালী করতে সমভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’

সামনের বছরে বিশেষ করে জাতিসংঘের ৭৫ বছর পূর্তিসহ ‘বেইজিং+২৫’ বার্ষিকী এবং ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডার ২০ বছর পূর্তি উদযাপন শান্তির সংস্কৃতি ধারণাকে আরও কার্যকরীভাবে তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এবারের রেজুলেশনটি গ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় শান্তির সংস্কৃতির ২০ বছর পূর্তি উদযাপনকেই শুধু স্বাগত জানায়নি, বরং একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও এজেন্ডা-২০৩০ এর পূর্ণ বাস্তবায়নে এর প্রয়োজনীয়তাকেও স্বীকৃতি দিয়েছে।

সেই সাথে রেজুলেশনটিতে সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের কাজের তিনটি স্তম্ভের প্রতিটিতেই শান্তির সংস্কৃতির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বছর বিশ্বের ১২৬টি দেশ বাংলাদেশের এ রেজুলেশন কো-স্পন্সর করেছে, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। এ সমর্থন বিশ্ব শান্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবদানের প্রতি বিশ্ববাসীর গভীর আস্থারই বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের।


যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : http://bit.ly/2FQWuTP


আরও পড়ুন

ছুটি শেষে যে প্রক্রিয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে!

Shamim Reza

লেবানন বিস্ফোরণ, ঘর হারিয়ে পথে ৩ লাখ মানুষ, নেই খাবার

Shamim Reza

অবশেষে ১৭ আগস্ট থেকে খুলছে কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলো

rony

লেবানন বিস্ফোরণ : গৃহবন্দি বৈরুত বন্দরের বহু কর্মকর্তা

azad

১৩ দিনের রিমান্ডে মালয়েশিয়া প্রবাসী রায়হান কবির

Shamim Reza

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

azad