স্বাস্থ্য

জেনে নিন, অস্বস্তিকর ‘জক ইচ’ থেকে মুক্তির সহজ উপায়

জুমবাংলা ডেস্ক : মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা একটু অগোছালো স্বভাবের হয়ে থাকে। এজন্য কিছু সমস্যায়ও তাদের ভুগতে হয়। এছাড়াও ছেলেদের মোটা জিন্সপ্যান্ট পরার জন্যও তাদের একটু বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হয়। অপরিচ্ছন্ন বা নিজের প্রতি উদাসীন হওয়াতে ছেলেরা আক্রান্ত হতে পারে জক ইচ রোগে।

জক ইচ বা টিনিয়া ক্রুরিস হল একধরনের ফাঙ্গাল সংক্রমণ যা ঊরুর ভেতরের ত্বক, কুঁচকি এবং নিতম্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই কারণে শরীরের এইসব উষ্ণ, আর্দ্র জায়গায় লালচে হয়ে যেতে পারে, ফাটতে পারে, কখনও রিঙের মতন দাগ হয়। এটা সাধারণত স্যাঁতস্যাঁতে ও গরম আবহাওয়ায় হয়। স্বাভাবিকের থেকে বেশি ওজনের লোকদের এটা আরও বেশি হয়।

এই রোগের ভাইরাস বিভিন্নভাবে এক শরীর থেকে অন্য শরীরের ছড়িয়ে পড়তে পারে। ব্যবহৃত পোশাক, পানি, বিছানা ইত্যাদি এর বাহক হিসেবে কাজ করে।

যে লক্ষণগুলো দেখলে বুঝবেন জক ইচ আছে:

১. উরুর সংযোগস্থল ও নিতম্বে তীব্র চুলকানি ভাব অনুভূত হওয়া

২. লাল বা খয়েরি রঙয়ের র‍্যাশ ও পানি ভর্তি ফুসকুড়ি দেখা দেয়া

৩. চুলকানোর পর এই পানি ভর্তি ফুসকুড়িগুলো ফেটে যাওয়া

৪. আক্রান্ত স্থানে পানি লাগলে জ্বালাপোড়া করা


৫. আক্রান্ত স্থান কালো এবং শুষ্ক হয়ে যাওয়া।

জক ইচ থেকে সাধারণত ঘরোয়া পদ্ধতিতেই মুক্ত পাওয়া যায়। কিছু ওষুধ রয়েছে যা বিনা প্রেসক্রিপশনেই আপনি যে কোন ফার্মেসিতে পেয়ে যাবেন। ধীরে ধীরে প্রতিকার করার উপায় বলা হলো।

১. চুলকানির স্থান প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে। কোন অবস্থাতেই অপরিষ্কার থাকা যাবে না। গোসলের সময় জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে আক্রান্ত স্থান ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন, এবং অবশ্যই লক্ষ্য রাখুন সাবানটি যেন পরিবারের অন্য সদস্যরা ব্যবহার না করে। এতে তারাও আক্রান্ত হবে।

২. প্রতিদিন পরিষ্কার অন্তর্বাস ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে পরামর্শ হচ্ছে সপ্তাহের ৭ দিনের জন্য ৭টি অন্তর্বাস কিনে নিন। প্রতিদিন নতুন অন্তর্বাস পরুন। সম্ভব না হলে একদিন ব্যবহারের পরেই অন্তর্বাস ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখুন।

৩. চুলকাবেন না। যত বেশি চুলকাবেন ততই তা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়বে। এছাড়া এটি আপনার অভ্যাসে পরিণত হয়ে যাবে, ফলে জনসমক্ষে বিব্রতকর অবস্থায় পরতে হবে।

৪. আক্রান্ত স্থান যথা সম্ভব শুষ্ক রাখার চেষ্টা করুন

৫. সুতির অন্তর্বাস পরিধান করুন

৬. প্রতিদিন আক্রান্ত স্থানে এন্টিফাঙ্গাল ক্রিম ব্যবহার করুন যাতে
terbinafine, miconazole, বা clotrimazole উপাদানগুলো আছে। ফার্মেসিতে গিয়ে Lamisil, Lotrimin, Micatin, বা Monistat নামের ক্রিমের খোঁজ করুন। একই নামের না পেলেও একই কাজ করে এমন ক্রিম পেয়ে যাবেন। ক্রিমের গায়ে লেখা ব্যবহার বিধি অনুসরণ করুন।

তথ্যসূত্রঃ Medicinenet


যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : http://bit.ly/2FQWuTP

আরও পড়ুন

করোনাভাইরাস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার মধ্যে পার্থক্য কী?

Saiful Islam

করোনাকালে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৫ পরামর্শ

Sabina Sami

মাত্র ৩টি ভুলেই নষ্ট হতে পারে আপনার কিডনি

Saiful Islam

শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে দরকার ভেজালমুক্ত খাবার: এলজিআরডি মন্ত্রী

mdhmajor

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার অতি কার্যকরী

Sabina Sami

নিম্ন রক্তচাপ হলে কী করবেন?

Saiful Islam