জাহিদ ইকবাল: রাজধানীর গুলশান বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে জব্দ হওয়া ডিজেল ও অকটেন অবৈধভাবে উচ্চমূল্যে বিক্রির একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযোগ রয়েছে, নিলামের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে ক্রয় করা এসব জ্বালানি তেল পরবর্তীতে কালোবাজারে প্রতি লিটার ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল, যা সরকারি নির্ধারিত দামের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জব্দকৃত জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক সরবরাহ এবং বাজারদরের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ দামে বিক্রির বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের নজরে আসে। পরবর্তীতে সংস্থাটি গোপন নজরদারি শুরু করে এবং কয়েকদিনের পর্যবেক্ষণে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পায়।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ভাটারা থানা পুলিশের সহায়তায় একটি সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জাকির নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অকটেন ও ডিজেল জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিলামের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, জব্দকৃত জ্বালানি তেলের উৎস, সংরক্ষণ ও সরবরাহ চেইন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি, এ চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা শনাক্তে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
দারাজ ৪.৪ সামার সেল : মেগা ডিলে ৮০% পর্যন্ত ছাড়, ফ্ল্যাশ ভাউচার
বিশেষজ্ঞদের মতে, জব্দকৃত সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে এ ধরনের অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়, যা বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে এবং সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ ফেলে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


