‘ঝামেলা এড়াতে’ নির্ধারিত স্থানে না গিয়ে বাসার পাশে কোরবানি

জুমবাংলা ডেস্ক : মহান আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের আশায় মুসলমানদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহায় রাজধানীসহ সারাদেশে পশু কোরবানি চলছে।

বুধবার (২১ জুলাই) ঈদের দিনে সকাল থেকেই শুরু হয় পশু কোরবানি। সকাল সাড়ে সাতটায় ঈদের নামাজ শেষ করে কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন রাজধানীবাসী।

পশু জবাইয়ের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ২৭০টি স্থান নির্ধারণ করলেও বাড়ির সামনের রাস্তায় ও ফুটপাতে পশু জবাই ও চামড়া ছাড়ানো শুরু করেছেন অধিকাংশ মানুষ।

কোরবানি দেয়া লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সিটি করপোরেশনে নির্ধারিত স্থানের কথা তাদের অধিকাংশেরই জানা নেই। আর যারা জানেন, তারাও মাংস আনা-নেয়ার ঝামেলার অজুহাতে নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করতে যাননি।

উত্তর সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, এবার ৫৪টি ওয়ার্ডে ২৭০টি স্থান পশু কোরবানির জন্য ঠিক করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭০০ জন ইমাম ও এক হাজার জন মাংস প্রস্তুতকারীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

বর্জ্য ফেলার জন্য ঈদের দিন বিতরণ করা হচ্ছে প্রায় ছয় লাখ পরিবেশবান্ধব ব্যাগ। তবে অনেকেই ব্যাগ পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

পল্লবীতে কোরবানি দেয়া ইসমাইল হোসেন বলেন, পশু কোরবানির জন্য নির্ধারিত স্থানের কথা জানা নেই। আর জানলেও যাওয়া হতো না। মাংস কাটায় একটা আনন্দ আছে। সবাই বাসার সামনেই কোরবানি দিতে চায়, যাতে করে মাংস সহজে বাসায় নেয়া যায়। কোরবানির বর্জ্য ফেলার জন্য কোনো পলিথিন পাননি বলে জানান।

এদিকে, করোনা সংক্রমণের মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে অবহেলা লক্ষ্য করা গেছে। পশু জবাইয়ের সময় কারও মুখেই ছিল না মাস্ক। অনেক শিশুকেও জবাইয়ে অংশ নিতে দেখা গেছে।


জুমবাংলানিউজ/এসআর