২০০৭ সাল থেকে শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসর থেকে এখন পর্যন্ত নয়টি আসরে বাংলাদেশ উপস্থিতি ছিল। কিন্তু দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার কেবল দর্শক হয়েই থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। আজ থেকে বাংলাদেশকে ছাড়াই শুরু হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

Advertisement

যদিও বিশ্বকাপে না থেকেও আছে বাংলাদেশ! বাংলাদেশের দুই আম্পায়ারের শরফুদ্দৌলা ইবনে সৈকত ও গাজী সোহেল বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনা করবেন। শরফুদ্দৌলা ইবনে সৈকত ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপেও ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। তিনি আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার। গাজী সোহেল এবারই প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করবেন।

এছাড়া ধারাভাষ্যকারদের তালিকাতেও রয়েছে বাংলাদেশের আতহার আলির নাম। বিশ্বব্যাপী পরিচিত এই ধারাভাষ্যকার নিয়মিত বিভিন্ন সিরিজ ও বিশ্বকাপে ধারাভাষ্য প্রদান করেন।

সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এর ধারাবাহিকতায় নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি।

ওভারঅল বিশ্বকাপ হিসেব করলে বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বকাপ হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। সময়ের হিসেবে প্রায় ৩০ বছর। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশে প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলে। এরপর যত বারই এই বৈশ্বিক ইভেন্ট মাঠে গড়িয়েছে, সবকটিতেই অংশ নিয়েছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

২০২৬ সালের হজের ভিসা দেওয়া শুরু হবে আগামীকাল

ভারতে না গিয়ে বাংলাদেশ দল খেলছে মিরপুরে, তিন দলের অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে। অথচ আজ কলকতায় ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে বেলা তিনটায় মাঠে নামার কথা ছিল লিটন দাসদের।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Md Elias is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency across digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and reader-focused reporting.