Close Menu
iNews
  • Home
  • Bangladesh
  • Business
  • International
  • Entertainment
  • Sports
  • বাংলা
Facebook X (Twitter) Instagram
iNews
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • স্বাস্থ্য
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ইতিহাস
    • ক্যাম্পাস
    • ক্যারিয়ার ভাবনা
    • Jobs
    • লাইফ হ্যাকস
    • জমিজমা সংক্রান্ত
iNews
Home তদন্তে বেরিয়ে আসছে গরু পাচার চক্রের সাথে বিএসএফ-এর যোগসাজশের চিত্র
অপরাধ-দুর্নীতি আন্তর্জাতিক স্লাইডার

তদন্তে বেরিয়ে আসছে গরু পাচার চক্রের সাথে বিএসএফ-এর যোগসাজশের চিত্র

By Hasan MajorSeptember 26, 20205 Mins Read
Advertisement

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের সীমান্ত দিয়ে গরুপাচার চক্রে বিএসএফ কর্মকর্তারা কীভাবে ও কতটা জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো বা সিবিআই -এর তদন্ত ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। ওই পাচার চক্রে বাহিনীর বেশ কয়েকজন পদস্থ প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, কাস্টমস ও পুলিশের একাংশের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। খবর বিবিসি বাংলার।

গোটা চক্রটি পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ-মালদা দিয়ে চালানো হলেও কলকাতায় বিএসএফের কয়েকজন প্রাক্তন কর্তাও জড়িত ছিলেন বলে ইঙ্গিত দিচ্ছেন তদন্তকারীরা।

কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো বা সিবিআইয়ের দেশব্যাপী তল্লাশি অভিযান দিয়ে ২৩শে সেপ্টেম্বর গরু পাচার চক্রের সঙ্গে বিএসএফ অফিসারদের যোগসাজশের যে তদন্ত শুরু হয়েছিল, তা থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে।

একদিকে যেমন পাচার চক্রের মাথা বলে পরিচিত এনামুল শেখের বিপুল সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গেছে বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা, অন্যদিকে বিএসএফের যে কমান্ডান্টের বেশ কয়েকটি বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে, তারও বিপুল সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গেছে।

২০১৮ সালে কেরালায় বিএসএফের একজন কমান্ডান্ট নগদে প্রায় ৪৭ লক্ষ টাকা সহ ধরা পড়ার পরেই ওই চক্রটির কথা সামনে আসে। তখন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এনামুল শেখও। যদিও এখন তিনি জামিনে আছেন।

তবে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পদস্থ কর্মকর্তারা বলছেন এরা চুনোপুটি। এই গরু পাচার চক্রের পিছনে বিএসএসফ-এর আরও কয়েকজন সিনিয়ার অফিসার জড়িত ছিলেন।

এদের কেউ চাকরি ছেড়ে দিয়ে বিদেশে চলে গেছেন, কেউ অন্য নিরাপত্তা বাহিনীতে আছেন।

তদন্তকারীরা বলছেন শুধু বিএসএফ নয়, পাচার চক্রে জড়িয়ে ছিলেন কাস্টমস, পুলিশ এবং রাজনৈতিক নেতারাও।

পাচার চক্রের শিকড় বহু দূর পর্যন্ত বিস্তৃত

দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং নিরাপত্তাবাহিনীগুলির খবরাখবর দীর্ঘদিন ধরেই রাখছেন দিল্লির প্রবীণ সাংবাদিক চন্দন নন্দী।

তিনি বলছিলেন পাচার চক্রের শিকড় বহু দূর পর্যন্ত বিস্তৃত।

অত্যন্ত সুসংগঠিত একটা চক্র চলছিল। এর পিছনে রাজনৈতিক হাতও ছিল। শুধু যে পশ্চিমবঙ্গের কিছু নেতা জড়িত ছিলেন তা নয়। কেন্দ্রের নেতাদের পরিবারও এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অনেকদূর পর্যন্ত জাল বিস্তৃত ছিল এই চক্রটার।

”কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে তদন্তে কি এদের নাম নিয়ে আসার মতো ক্ষমতা কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সিগুলির আছে? না কি তাদের সেই রাজনৈতিক সদিচ্ছা আছে?” বলছিলেন মি. নন্দী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসএফ কর্মকর্তারা বলছেন এই পাচার চক্রটা কাজ শুরু করেছিল ২০১৫ সালে। আর ২০১৮ সালে কেরালায় বাহিনীর এক কমান্ডান্ট ধরা পড়ার পরে চক্রটির ব্যাপারে জানা যায়।

কিন্তু বিবিসি বাংলা জানতে পেরেছে যে ২০১৬ সালেই বাহিনীর এক অফিসার বিএসএফের মহাপরিচালককে চিঠি লিখে এই পাচার চক্র সম্বন্ধে সতর্ক করেছিলেন।

বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত অঞ্চলের কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তা যে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন, সেটাও জানিয়েছিলেন তিনি।

ওই চিঠিটিতে লেখা হয়েছিল: “ফারাক্কায় অবস্থিত ২০ নম্বর ব্যাটালিয়নের অফিসারদের কলকাতায় দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের সদর দপ্তর থেকে নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে যাতে পাচারকারীদের কথা শুনে চলা হয়। চোরাচালান করতে দিতে নির্দেশ আসছে। আবার বাহিনী সরিয়ে নিয়ে পাচারের কাজে সুবিধা করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

তদন্তকারীদের নজরে প্রাক্তন ডিআইজি, কমান্ডান্ট, সেকেন্ড-ইন-কমান্ড – নানা পদমর্যাদার অফিসাররাই আছেন বলে তারা জানাচ্ছেন।

সীমান্তে অবস্থিত অফিসারাও যেমন ছিলেন ওই চক্রে, তেমনই এমন বেশ কয়েকজন জড়িত থাকার কথা জানা যাচ্ছে, যাদের দায়িত্বে ছিল ভিজিল্যান্স, অর্থাৎ কর্মীরা কেউ ঘুষ নিচ্ছেন কি না, তার ওপরে নজর রাখা।

‘রক্ষক যখন ভক্ষক’

বিএসএফের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল সমীর কুমার মিত্র বলছিলেন পদস্থ কর্মকর্তারা গরু পাচার চক্রে জড়িয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

“রক্ষক যখন ভক্ষক হয়ে ওঠে তখন আর সুরক্ষা বলে কিছু থাকে না। যে বাহিনী জন্মলগ্ন থেকে দেশের জন্য আর বাংলাদেশের জন্য লড়াই করেছে, বিশ্বের বৃহত্তম সীমান্ত রক্ষী বাহিনী, তার কিছু অফিসার পাচারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়বেন, এটা অকল্পনীয়। বিএসএফের জন্য কলঙ্কজনক একটা ঘটনা,” মন্তব্য মি. মিত্রের।

তিনি আরও বলছিলেন, “যেভাবে গরু পাচারের গোটা প্রক্রিয়াটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে, এটাই বেশি চিন্তার। কিন্তু আমি বলব বিএসএফ তো শুধু সীমান্তে বলবৎ থাকে। পশ্চিম ভারত থেকে বেশ কয়েকটা রাজ্য পেরিয়ে যে গরুগুলো আসছে, সেটা সেখানকার পুলিশ বা শুল্ক বিভাগ কেন আটকাচ্ছে না।

”তাদেরও তো দায়িত্ব ছিল। যদিও এই কথার অর্থ এটা যেন না করা হয়, যেসব বিএসএফ অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, আমি তাদের পক্ষ নিয়ে কথা বলছি,” বলেন সমীর কুমার মিত্র।

যে তিন বছর পাচার চক্রটি কাজ করেছে, তার মধ্যেই কোনও সিনিয়ার অফিসার প্রায় ২০০ কোটি টাকা, কেউ ৩০০ কোটি টাকা রোজগার করেছেন চক্রের মাধ্যমে – এমনটাই জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তারা কে কোথায় জমি-বাড়ি বা সম্পত্তি কিনেছেন, সেই তথ্যও যোগাড় করেছেন তদন্তকারীরা।

এছাড়াও পাচারের রোজগারের ভাগ নিয়মিত গেছে কাস্টমস, পুলিশের একাংশ আর রাজনৈতিক নেতাদের কাছে এবং মূলত মুর্শিদাবাদ আর কলকাতা থেকেই চক্রটি কাজ চালাত বলে বিএসএফ-এর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

বিবিসি বাংলার হাতে যে তথ্য এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে গরু প্রতি প্রায় ৪০ হাজার টাকা করে লাভ ঘরে তুলত পাচারচক্র। যে প্রাথমিক হিসাব তদন্তকারীরা করেছেন, তাতে শুধু দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত অঞ্চল দিয়েই প্রতিরাতে ১৩-১৪ কোটি টাকা মূল্যের গরু পাচার চলত বছর তিনেক ধরে।

ঘটনাচক্রে ২০১৮ সালে একজন কমান্ডান্ট এবং পাচার চক্রের মাথা ধরা পড়ার পরে কয়েকজন অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া হয় আর তারপরেই সীমান্তে গরু পাচার অনেকটা কমে যায়।

সমীর কুমার মিত্র বলছিলেন সীমান্তের দায়িত্বে বিএসএফ আছে ঠিকই, কিন্তু অন্যান্য রাজ্যের কর্তৃপক্ষ এবং সরকারি কর্মচারী নন এমন ব্যক্তিদের নামও হয়ত তদন্তে উঠে আসতে পারে।

“সরকারি কর্মচারী বলে বিএসএফের অফিসারদের নাম উঠে এসেছে প্রথমে। কিন্তু যদি নিরপেক্ষভাবে এবং যথার্থ তদন্ত হয়, তাহলে এমন ব্যক্তিদের নামও বেরিয়ে আসতে পারে, যারা সরকারি কর্মী নন,” বলছিলেন মি. মিত্র।

পাচার চক্র যেভাবে কাজ চালাত, তারও আভাস পাওয়া যাচ্ছে তদন্তের প্রাথমিক স্তরেই।

উত্তর বা পশ্চিম ভারত থেকে গরু এনে প্রথমে বীরভূমের একটি জায়গায় রাখা হতো। সেখান থেকে মুর্শিদাবাদ সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হতো গরুগুলিকে। বি এস এফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আগে থেকেই ঠিক করা থাকত যে কোন জায়গা দিয়ে কত গরু পাচার হবে। নিখুঁত হিসাব রাখা হতো প্রতিটা গরুর।

আবার পাচারের সময়ে যেসব গরু ধরা পড়ত, সেগুলিকে কখনও বাছুর বলে দেখিয়ে বা কখনও পশ্চিমবঙ্গের গরু বলে দেখানো হত – যার দাম পশ্চিম ভারতের গরুর থেকে বহুগুণ কম। ধরাপড়া গরু আবার কাস্টমসের মাধ্যমে নিলাম করা হত যেগুলো কম দামে কিনে নিতো পাচারকারীরাই বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।
Hasan Major
  • Facebook
  • X (Twitter)
  • Instagram

Md. Mahmudul Hasan, widely known as Hasan Major, serves as Editor-in-Chief of Zoom Bangla. With 15 years of experience in journalism, he directs the newsroom’s editorial strategy and content standards. His expertise spans political, national, and international reporting. Under his leadership, Zoom Bangla delivers accurate, balanced, and in-depth news coverage that reflects both breaking developments and analytical insight.

Related Posts
২০২৬ সালে নির্বাচন

২০২৬ সালে বাংলাদেশসহ যে কয়েকটি দেশে নির্বাচন হবে

January 1, 2026
Jamaat Ameer

বিএনপি-জামায়াত আগামীতে একসঙ্গে কাজ করবে

January 1, 2026
খালেদা জিয়া

খালেদা জিয়ার জন্য শুক্রবার সব মসজিদে বিশেষ দোয়ার আহ্বান

January 1, 2026
Latest News
২০২৬ সালে নির্বাচন

২০২৬ সালে বাংলাদেশসহ যে কয়েকটি দেশে নির্বাচন হবে

Jamaat Ameer

বিএনপি-জামায়াত আগামীতে একসঙ্গে কাজ করবে

খালেদা জিয়া

খালেদা জিয়ার জন্য শুক্রবার সব মসজিদে বিশেষ দোয়ার আহ্বান

খালেদা জিয়ার

মানুষের জন্য খালেদা জিয়ার ত্যাগ উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে : জামায়াত আমির

বিএনপি

বিএনপির আরও ২০ নেতা পেলেন বড় সুখবর

ইরান

ইরানে ৩৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের রেকর্ড

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস

আঞ্চলিক নেতাদের সার্ককে জাগ্রত করার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

Cold wave

দেশের যেসব জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ, আরও কমতে পারে তাপমাত্রা

Tareque Rahman

পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে : তারেক রহমান

Chaina

জনসংখ্যা বাড়াতে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর ওপর ১৩ শতাংশ কর বসালো চীন

  • About Us
  • Contact Us
  • Career
  • Advertise
  • DMCA
  • Privacy Policy
  • Feed
  • Authors
  • Editorial Team Info
  • Ethics Policy
  • Correction Policy
  • Fact-Checking Policy
  • Funding Information
© 2026 ZoomBangla News - Powered by ZoomBangla

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.