Views: 345

বিভাগীয় সংবাদ রাজশাহী

তারা আওয়ামী পরিবারের সন্তান, মানবিক কারণে চাকরি দিয়েছি: বিদায়ী উপাচার্য

জুমবাংলা ডেস্ক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মেয়াদের শেষ দিনে ১৩৭ জনের নিয়োগকে মানবিক নিয়োগ বলে আখ্যা দিয়েছেন সদ্য বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সোবহান। তিনি বলেন, এই নিয়োগ আইনের পরিপন্থী নয়। কারণ, উপাচার্যকে ৭৩-এর অধ্যাদেশে এ ক্ষমতা দেওয়া আছে। আমি মানবিক কারণে তাদের চাকরি দিয়েছি। যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের অধিকাংশই ছাত্রলীগের এবং আওয়ামী পরিবারের।

শনিবার বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠন করা তদন্ত কমিটির কাছে নিজের জবানবন্দী দিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে, সদ্য নিয়োগ পাওয়া ১৩৭ জনের যোগদান স্থগিত করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন (রাবি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করায় নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদান কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয় জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৫ মে রাবিতে দেওয়া এডহক নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য তদন্ত কমিটির রিপোর্টের প্রেক্ষিতে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত উক্ত নিয়োগপত্রের যোগদান এবং তদন্ত সংশ্লিষ্ট সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখার অনুরোধ করা হলো।

রাবির বিদায়ী উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এম আবদুস সোবহানের মেয়াদ শেষ হয় গত বৃহস্পতিবার (৬ মে)। আগের দিন তিনি অস্থায়ী ভিত্তিতে ১৩৭ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে যান। যদিও প্রথম দিন ১৪১ জনকে নিয়োগ দিয়েছিলেন বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। এনিয়ে বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই নিয়োগকে অবৈধও বলেছে মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীরকে। সদস্য সচিব হলেন- ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. জাকির হোসেন আখন্দ।

শনিবার পৌনে ১১টার দিকে কমিটির সদস্যরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। প্রথমে তারা ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য (রুটিন দায়িত্বে) অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহার দপ্তরে উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে তদন্ত কমিটির ডাকে উপাচার্যের দপ্তরে যান সদ্য বিদায়ী উপাচার্য আবদুস সোবহান। তদন্ত কমিটি তার সাক্ষাৎকার নেন।

পরে বিকাল ৪টার দিকে তিনি ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। এসময় আবদুস সোবহান বলেন, ‘এই নিয়োগ আইনের পরিপন্থী নয়। কারণ, উপাচার্যকে ৭৩-এর অধ্যাদেশে এ ক্ষমতা দেওয়া আছে। আমি মানবিক কারণে তাদের চাকরি দিয়েছি। যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের অধিকাংশই ছাত্রলীগের এবং আওয়ামী পরিবারের।’

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে এই নিয়োগ অবৈধ এবং নিয়মবহির্ভূত। সুতরাং যারা এই নিয়োগের সঙ্গে সম্পৃক্ত আমরা তাদের সাক্ষাৎকারের আওতায় এনেছি। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা একটা পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে পারব।’

আরও পড়ুন

কক্সবাজারে পাহাড় ধ্বসে মাদ্রাসার ছাত্রের মৃত্যু

Saiful Islam

বাবাকে কবরে রেখেই পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করলেন ছেলে

Saiful Islam

গ্যাস সিলিন্ডারের আগুন কেড়ে নিল মা-মেয়ের প্রাণ

Shamim Reza

সাবেক এমপি শফিকে বহিষ্কার করল বিএনপি

Shamim Reza

বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ

Saiful Islam

প্রয়াত ২ চেয়ারম্যানের স্ত্রীদের লড়াই!

Saiful Islam