
আজ সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বরিশাল এবং খুলনা বিভাগের ১৬টি জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে করেনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময়কালে এই হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তিনি।
এসময় যারা হাত পাততে পারে না তাঁদের সকলের ঘরে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘কাজ না থাকায় অনেকে কাজ করতে পারছেন না আবার রিলিফও চাইতে পারছেন না, এরকম বহু পরিবার রয়েছে। তাঁদেরকে ঘরে বাইরে বাইরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা আমরা ইতোমধ্যে নিয়েছি। সেটা সংশ্লিষ্টদের নিশ্চিত করতে হবে।’
‘তাছাড়া, ১০ টাকা কিলোয় চাল বিক্রী, ওএমএস-এর চালেরও দাম কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাজেই, আমাদের খাদ্যের কোন অভাব নেই বরং যথেষ্ট খাদ্য সামগ্রী রয়ে গেছে সেটা আমরা প্রয়োজনে দিতে পারবো,’ বলেন তিনি।
মুখ্য সচিব ড.আহমদ কায়কাউস ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক যত কমানো যায়, সেটিই ভাল। ফসল তরি-তরিকারি, ফলমূল আর নষ্ট হওয়ার কোন আশংকা নেই। কারণ, এগুলো বিক্রয় কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য তাঁর সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’
বাজারজাত করার সময়ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্বরোপ করে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন যে, হাট-বাজার একেবারে বন্ধ না রেখে বড় একটি মাঠে সামাজিক দূরিত্ব বজায় রেখে সপ্তাহে একদিন হলেও এগুলো বিক্রীর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
তিনি বলেন, সেখান থেকে মানুষ পণ্য কিনে নেবে, কিন্তু অনেক মানুষের ভীড় যেন না হয় সেদিকে সকলে লক্ষ্য রাখবেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



